আরও পড়ুনঃ দেড় কোটি টাকার সোনা ও নগদ চুরি, সিসিটিভি ও কল লিস্টের সূত্রে গ্রেফতার পরিচিত অভিযুক্ত
একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে রুদ্রকে। কলকাতার নীলরতন সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার পর তাঁকে ব্যাঙ্গালোরেও পাঠানো হয়। বর্তমানে সে নিজে দাঁড়াতে পারে না, হাত-পা স্বাভাবিকভাবে নাড়াচাড়া করতেও অসুবিধা হয়। দুটি হাত অনেকটাই বেঁকে গিয়েছে এবং শিরদাঁড়ার সমস্যাও রয়েছে। এখন বসে বসেই পড়াশোনা করতে হয় তাঁকে।
advertisement
এই শারীরিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পড়াশোনা ছাড়েনি রুদ্র। স্কুলে নিয়মিত যেতে না পারলেও শিক্ষকদের পরামর্শে বাড়িতেই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর জন্য রয়েছে দু’জন গৃহশিক্ষক একজন বিনা পারিশ্রমিকে পড়ান, অন্যজন অল্প টাকায় সাহায্য করেন। বাবা ইলেক্ট্রিকের কাজ করে সংসার চালালেও ছেলের পড়াশোনায় কোনও ঘাটতি রাখেননি।
রুদ্র রাইটার নিতে রাজি নয়। নিজের হাতে লিখেই পরীক্ষা দিতে চায় সে। শুধু একটু বেশি সময় পেলে কোনও সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে। অঙ্ক তাঁর প্রিয় বিষয় এবং ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার স্বপ্ন দেখে সে। অদম্য আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায় নিয়ে রুদ্র আজ মাধ্যমিকের ময়দানে। তাঁর এই লড়াই অনুপ্রেরণা জোগায় সকলের।





