বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে অধ্যাপক বিমল রায়কে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক শ্যামল রায়, অধ্যাপক শম্পা দাস ও অধ্যাপক অমিতাভ দত্ত। প্রেজেন্টিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আবুল হাসনাথ। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে সিলবন্দি খামে লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষক নিগ্রহে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা উপাচার্যের
advertisement
প্রসঙ্গত, ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দুই ছাত্রগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে তিনজন শিক্ষক শারীরিকভাবে নিগৃহীত হন বলে অভিযোগ। ঘটনায় একাধিক ছাত্রও আহত হন।
সোমবার জারি করা এক প্রেস বিবৃতিতে উপাচার্য এই ঘটনাকে “নিন্দনীয়, অগ্রহণযোগ্য এবং অকল্পনীয়” বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের যে ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পরিচয়, এই ঘটনা তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। শিক্ষকদের উপর শারীরিক আক্রমণকে তিনি কঠোর ভাষায় ধিক্কার জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও জোরদার করা হবে।
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে উপাচার্য শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং গণতান্ত্রিক উপায়ে মত প্রকাশের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের মতে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আগামী দিনে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
