রাজা মাঝির কর্মজীবনের পথও বেশ অনুপ্রেরণামূলক। তিনি ইসরোর মতো মর্যাদাপূর্ণ সংস্থার চাকরি ছেড়ে রাজ্য সরকারের চাকরিকে অগ্রাধিকার দেন। পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিয়ে বর্তমানে বিষ্ণুপুর সরকারি কেজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যাপনা করছেন। নিজের মাটিতে থেকে শিক্ষাদান এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুনঃ অঝোরে তুষারপাত চলছে সান্দাকফুতে, তুষারঝড়ে আটকে পর্যটকরা! পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, পাহাড়ে বাড়ছে আতঙ্ক
advertisement
রাজা মাঝি জানিয়েছেন, চাকরির শর্ত অনুযায়ী পাঁচ বছর পূর্ণ না হওয়ায় আগের বার এমটেক-এ ভর্তি হতে পারেননি তিনি। সেই সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে চলতি বছরে ফের নতুন উদ্যমে গেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এবার তিনি একসঙ্গে দুটি ট্রেডে পরীক্ষা দেন এবং অসাধারণ ফলাফল করেন—ইনস্ট্রুমেন্টেশন ট্রেডে সর্বভারতীয় প্রথম স্থান এবং ইলেকট্রনিক্স ট্রেডে চতুর্থ স্থান অর্জন করেন।
আরও পড়ুনঃ সকালের এই ‘৩’ ভুল প্রাণঘাতী, লিভারের সাঙ্ঘাতিক ক্ষতি, সচেতন না হলে ১০০% পচিয়ে দেবে
এই সাফল্যে তাঁর পরিবার যেমন আনন্দিত, তেমনই বিষ্ণুপুরের মানুষও গর্বিত। বিশেষ করে কেজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রছাত্রীরা এমন একজন মেধাবী ও অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষককে পেয়ে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছেন। রাজা মাঝির এই সাফল্য নিঃসন্দেহে আগামী দিনের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক বড় প্রেরণা হয়ে থাকবে। রাজা মাঝির এই ধারাবাহিক সাফল্য শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং গোটা জেলার শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে। তাঁর এই কৃতিত্ব প্রমাণ করে সঠিক লক্ষ্য, পরিশ্রম এবং অধ্যবসায় থাকলে যে কোনও সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীদের কাছে তিনি শুধু একজন শিক্ষক নন, বরং একজন আদর্শ ও অনুপ্রেরণা। আগামী দিনে তাঁর হাত ধরেই আরও অনেক মেধাবী ছাত্রছাত্রী জাতীয় স্তরে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে, এমনটাই আশা করছেন শিক্ষা মহল।






