প্রহৃত জামালপুর পূর্ব চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রশান্ত কবিরাজ জানান,পর্ষদের নিয়ম না মেনে পরীক্ষা চলাকালীন অবস্থায় বিদ্যালয়ে কেন মোবাইল ব্যবহার করা হচ্ছে? মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতেই প্রধান শিক্ষকের সামনেই তার উপর চড়াও হন স্কুলেরই বেশ কয়েকজন শিক্ষক। তাঁকে ঘিরে ধরে চলে কিল, চড়, ঘুষি। জোর করে তাঁকে স্কুলে আটকে রাখা হয়।ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে তিনি বিডিও-কে ফোন করেন, পরে স্কুল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে জামালপুর থানার পুলিশ।
advertisement
স্কুল পরিদর্শকের উপর হামলার প্রতিবাদে কিছুক্ষনের জন্য মেমারী-তারকেশ্বর রাস্তা অবরোধ করেন বেশ কিছু স্কুল শিক্ষক। সৌমেন ভট্টাচার্য বলেন, জামালপুর পূর্ব চক্রের এসআই দায়িত্বপ্রাপ্ত আঝাপুর হাই স্কুলে। সেই স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, সেন্টারের স্টং রুমে একজনের মোবাইল পাওয়া যায় এবং সেই মোবাইল এসআই কেড়ে নেন। এরপর বেশ কয়েকজন এসে এসআই-এর ওপর নিগ্রহ করেন এবং মোবাইল ছিনিয়ে নেন, মারধর করেন। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এসআই বর্তমান চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ সোনার চেয়েও দামি এই ফল সরাসরি খেলে বিষাক্ত! কিন্তু আয়ুর্বেদে অমৃত, কী ফল বলুন তো? গুণ জানুন
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার বিশ্বাস বলেন, “স্কুলের একজন শিক্ষাকর্মী ভুল করে মোবাইল নিয়ে চলে আসেন। সেই মোবাইলটি আমি নিয়ে পাশের ঘরে একটি টেবিলের ওপর রেখে দিয়েছিলাম। এসআই সাহেবের সঙ্গে বোর্ডের প্রতিনিধিরা এসেছিল। তারা সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শন শেষে যখন আমার রুমে এসে বসেছিলেন তখন হঠাৎ করে ফোনটি বেজে ওঠে। এই বিষয় নিয়ে এফআই সাহেব চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। ঘটনা কয়েকজন শিক্ষক আমার রুমে চলে আসেন এবং এসআই সাহেবের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এটা একটা অজুহাত। এখানে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা হচ্ছে আমার মনে হয়েছে উনি বোধ হয় সন্তুষ্ট নন। উনি চাইছিলেন এখানে একটা ঘটনা ঘটাতে হবে। মারধরের ঘটনা আমার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন, বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।”






