আরও পড়ুন: বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে শীতের ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকার ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রান্তিক এক গ্রামে অবস্থিত নছিপুর আদিবাসী হাইস্কুল। বিদ্যালয়ের ঝুলিতে রয়েছে নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার, শিশুমিত্র পুরস্কার, স্বচ্ছ বিদ্যালয় পুরস্কার সহ একাধিক পুরস্কার। এখানে লেখাপড়ার পদ্ধতি এতটাই আনন্দদায়ক যে পড়ুয়ারা প্রতিদিন স্কুলে ছুটে ছুটে আসে।
advertisement
সাধারণত দেখা যায়, পড়াশোনা রচাপে ছোট ছোট শিশুরা বিদ্যালয়ে আসতে ভয় পায়। কিন্তু জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এই ব্লকের বিদ্যালয়ে প্রতিদিনই প্রায় সব পড়ুয়া বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে। তাও বেশিরভাগ আদিবাসী পরিবারের ছেলেমেয়ে। কিন্তু কেন এই বিদ্যালয়ে শিশুদের আসার এই প্রবণতা? কারণ জানলে অবাক হয়ে যাবেন। বিদ্যালয় একেবারে ঝাঁ চকচকে-তকতকে থাকে, সাজানো-গোছানো। একেবারে শিশু-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। সাজানো-গোছানো বিদ্যালয় চারদিক গাছ গাছালিতে ভরা। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বিদ্যালয়ের মূল মন্ত্র।
ছাত্র-ছাত্রীদের মনের মত করে বিদ্যালয়কে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দেওয়াল জুড়ে মনীষীদের ছবি, সঙ্গে লেখা হয়েছে তাঁদের মানুষ গড়ার বাণী। বিভিন্ন মনীষীর পাশাপাশি রয়েছে খেলোয়াড়দের মূর্তি, রয়েছে বীর শহিদদের জীবন গাঁথা। বিদ্যালয়ের দেওয়াল, সিঁড়িতে রয়েছে বিভিন্ন মনীষীদের নানা বাণী। যা সামগ্রিক পঠন-পাঠনের সঙ্গে নৈতিক শিক্ষা গড়ে তোলে পড়ুয়াদের মধ্যে। পড়ুয়াদের নিয়ে সপ্তাহে একদিন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা শেখানো হয়। ৩০ মিনিট ধরে চলে সাফাই অভিযান। বিদ্যালয়ের বক্তব্য, পড়ুয়াদের শুধু পাঠ্য শিক্ষা নয়, সামাজিক শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। সেই মতো বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন:
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে একাধিক মূর্তি বিদ্যালয়ের শোভাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে পড়ুয়াদের কাছে। তাই এখানে প্রতিদিন উপস্থিতির সংখ্যা নিরানব্বই শতাংশ। স্কুলের পরিবেশ বাড়িতে থাকতে দেয় না পড়ুয়াদের। উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল ভবন ও স্বচ্ছতা দেখলে আপনিও দেখলে অবাক হবেন।
রঞ্জন চন্দ





