আরও পড়ুন: ‘বরফে’র টুকরোয় সাদা বসিরহাটের রাস্তা! সীমান্ত থেকে সুন্দরবন, এক নিমেষে সব কিছু লন্ডভন্ড
বিদ্যালয়ে প্রতি ভীতি কাটাতে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় আগ্রহ তৈরি করতে একচালা এই বিদ্যালয়কে সাজানো হয়েছে নতুন ভাবে। দেওয়াল জুড়ে শিক্ষার নানা বিষয়বস্তুকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে গ্রামের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুলছুট রুখতে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের অভিনব ভাবনা আপনাকে মুগ্ধ করবে।
advertisement
আরও পড়ুন: কৈশোরেই কাঁধে সংসারের জোয়াল, পড়াশোনার ফাঁকে ফুচকা বিক্রি করে একাদশ শ্রেণীর মেধাবী সন্দীপ
প্রত্যন্ত গ্রামে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করলে এক আলাদা মানসিক প্রশান্তি মিলবে।স্কুলের পাঠ্য বইয়ের বিষয়টি শুধু মুখস্তের জন্য? নম্বর তোলার ইঁদুর দৌড়ে কিছু বুঝে বা না বুঝে মুখ বুজে পড়ে যাওয়া, বর্তমান সমাজের কাছে একটি ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেই চাপ এসে পড়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার প্রতি ভীতি কাটাতে এবং সকল ছেলেমেয়েদের কাছে একটি আনন্দের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাজানো হয়েছে নতুন ভাবে। দেওয়ালে নানান ছবি সঙ্গে বর্ণপরিচয়কে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পড়ুয়াদের কাছে। রয়েছে ইংরেজি বর্ণমালা থেকে মাস কিংবা বিভিন্ন দিনের নাম। বিভিন্ন গল্প অবলম্বনে আঁকা হয়েছে নানান ছবিও।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের প্রান্তিক এক এলাকা রাধামোহনপুরে এমনই বিদ্যালয় নজর কেড়েছে জেলার মানুষের। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অন্যরকম ভাবে শিক্ষাদানের জন্য অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ডেবরা ব্লকে রাধামোহনপুর হাটপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। একচালা স্কুল হলেও শিক্ষকদের উদ্যোগে এক লহমায় বদলে গিয়েছে গোটা স্কুলের পরিবেশ। মজার ছলে শিশুরা শিখতে পারছে তাদের প্রাথমিক পাঠ। শুধু তাই নয় এক সৃজনশীল মানসিকতা নিয়ে একদম ছোট থেকেই নিজেদেরকে গড়ে তুলছে ছাত্র-ছাত্রীরা।
যখন প্রান্তিক এলাকায় সরকারি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভরতিকরার প্রবণতা কমছে, তখনই এই স্কুলের মধ্যে এলে আপনিও মুহূর্তেই বদলে যাবেন। শিক্ষার যাঁতাকলে বাচ্চাদের ফেলে রাখা নয়, তাদের মধ্যে আনন্দের সঙ্গে পড়াশুনা এবং খেলাধুলো এছাড়াও মানসিক সামগ্রিক উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে। গতানুগতিক সরকারি স্কুলের সেই ছবির বাইরে শিক্ষকদের সদিচ্ছা এবং গ্রামের মানুষের সহায়তায় এমন যে স্কুলের রূপ দেওয়া সম্ভব তা প্রমাণ করেছে জেলার অত্যন্ত এলাকার এই প্রাথমিক স্কুল।
রঞ্জন চন্দ





