লেখাপড়ার পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান মূল্যবোধ বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের অবগত করতে এই উদ্যোগ। বাংলার কৃষ্টি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রতভাবে জড়িয়ে থাকা পিঠেকে সামনে রেখে এই উৎসব। মাত্র কয়েক সপ্তাহের প্রস্তুতিতে ধুমধাম করে পিঠে উৎসবের আয়োজন কলেজে। অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের উৎসাহে পরিবারের সহযোগিতায় কলেজ ক্যাম্পাসের পিঠে মেলায় নিজেদের শ্রম দিয়ে তৈরি পিঠে বা খাবার নিয়ে হাজির ছাত্রীরা। শুধু উৎসব বা মেলার আনন্দ নয়। একই সঙ্গে সুস্থ প্রতিযোগিতার আয়োজনও বটে। উৎসবে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তৈরি পিঠের সুদর্শন এবং স্বাস্থ্যবিধি মান্যতা দেওয়ার দিক থেকে পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা রাখা হয়। সবমিলিয়ে পিঠের উৎসব ছিল জমাটি।
advertisement
আরও পড়ুন: প্রবেশ হোক বা প্রস্থান! রাজ্যের এই স্টেশনে যাতায়াতে নেই কোন রাস্তা, ভরসা সেই রেললাইন
অংশগ্রহণকারী ছাত্রীদের কথায় জানা যায়, এতদিন শুধুমাত্র পিঠে খাবার অভিজ্ঞতাই ছিল। কিন্তু এই পিঠে উৎসবে অংশগ্রহণের পর অন্য অভিজ্ঞতা। পিঠে তৈরি রকমারি পিঠের সম্বন্ধে জানা, বলা যায় পিঠে নিয়ে চর্চা। কয়েকদিনের প্রস্তুতিতে মা ঠাকুমার কাছে পিঠের তৈরি শিখে নেওয়া। এদিন সকাল থেকে নিজেদের স্টলে পিঠে বিক্রিতে ব্যস্ততা। যার মধ্যে আনন্দ, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায়না। আর এই পিঠে উৎসবকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু পিঠে তৈরি শিখে নেওয়া।
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন“
লেখাপড়া থেকে খেলাধুলা সর্বক্ষেত্রেই কলেজের সুনাম রয়েছে। পুরানো বাঙালির চিরাচরিত রীতিকে পুনর্জীবিত করতেই এই ভাবনা বলেই জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়। এতে দারুণভাবে সাড়া মিলেছে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে থেকে। জানা যায় প্রায় ২৪ টি পিঠের স্টল হয় সব মিলিয়ে শতাধিক নানা রকমের পিঠের সম্ভার দেখা যায় কলেজ প্রাঙ্গণে। প্রতিটি পিঠে ছিল আকর্ষণীয়, যে কারণে অল্প সময়ে অধিকাংশ স্টলে সামান্য কিছু সময় পার হতে পিঠে শেষ হতে থাকে।
রাকেশ মাইতি





