রোজ তিন-তিন কেজি চালের ভাত...! মুহূর্তে শেষ দু' কেজি চালের বিরিয়ানি, তিন কেজি মাংস, সাগরদিঘির জিশানের পেট জোগাতে হিমশিম দিন-মজুর বাবা
- Reported by:Tanmoy Mondal
- hyperlocal
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Murshidabad News: দৈনিক গড়ে তিন কেজি চালের ভাত খায় ১৪ বছরের নাবালক। আজব কিশোরের খাবারের জোগাড়ের চাপে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন দিন মজুর বাবা। জিশান শেখের বয়স মাত্র ১৪ বছর। বর্তমানে স্থানীয় স্কুলে নবম শ্রেণির ছাত্র। ওজন ১৪০ কিলো।
মুর্শিদাবাদ, সাগরদিঘি: দৈনিক গড়ে তিন কেজি চালের ভাত খায় ১৪ বছরের নাবালক। আজব কিশোরের খাবারের জোগাড়ের চাপে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন দিন মজুর বাবা। জিশান শেখের বয়স মাত্র ১৪ বছর। বর্তমানে স্থানীয় স্কুলে নবম শ্রেণির ছাত্র। ওজন ১৪০ কিলো।
কী কারণে এমন শারীরিক গঠন? বিরল প্রজাতির এই রোগের কারণে রীতিমতো দিশেহারা অবস্থায় পড়েছে জিশানের পরিবার। নাবালকের প্রতিদিনের খাবার খেতেই হিমসিম খাচ্ছেন পরিবার। দিন আনা দিন খাওয়া সামান্য রোজগেরে দিনমজুর বাবা মুনসাদ আলি। ছেলে বিরল রোগে আক্রান্ত, তাই চিকিৎসার বন্দোবস্ত করে তাকে প্রাণে বাঁচানোর লড়াই করছেন মুনসাদ। যদিও ১৪ বছরের জিশানের খাবার জোগাড় করতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁকে।
advertisement
সাগরদিঘির কাবিলপুর গ্রামের বাসিন্দা মুনসাদের দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তান। পরিবারের মেজো ছেলে, জিশান সেখ। জন্মের পর থেকেই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বাভাবিক নিয়মে তার দেহের ওজন সীমাহীন ভাবে বৃদ্ধি হতে থাকে।
advertisement
advertisement
শুরু থেকেই খাবার বেশি দিতে হয়। পরে বয়স যত বৃদ্ধি হয়েছে ওজন ততটাই বৃদ্ধি হয়েছে। এখন প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে তিন কিলো চালের ভাত লাগে জিশানের জন্য। শুধু তাই নয়, রুটি হলে একসঙ্গে তিন ডজন রুটির দরকার পড়ে। আবার শরীরের ওজনের কারণে কোনও দোকানে পোষাকও পর্যন্ত মেলে না। এছাড়াও হাঁটাচলাও তেমন ভাবে করতে পারে না জিশান। ফলে শুয়ে বসেই তার জীবন কাটে।
advertisement
জিশানের বাবা দাবি করেছেন, “সামান্য কাঠ মিলের দিনমজুরের কাজ করি। যা অর্থ উপার্জন হয় তা দিয়েই চলে সংসার। ঠিক মতো ছেলের খাবার জোগান দিতে পারিনা। সেখানে কিভাবে এই রোগের চিকিৎসা করাবো, ছেলেকে আগামী দিনে কীভাবে বাঁচাবো তাও বুঝে উঠতে পারিনা।”
advertisement
যদিও জিশান জানিয়েছে, “বর্তমানে নবম শ্রেণির ছাত্র আমি। প্রিয় খাবার বিরিয়ানি এবং মাংস। একসঙ্গে তিন কেজি মাংস ও দুই কেজি চালের বিরিয়ানি খেতে পারব। আমাকে নিয়ে অনেকেই মজা করে। কিন্তু আমি খেতে ভালবাসি।”
advertisement
চিকিৎসক ডাঃ সৌমিক দাস জানিয়েছেন, “বর্তমানে এই নাবালক ওবিসিটি রোগে আক্রান্ত। এছাড়াও অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে মোটা হওয়ার। বয়সের তুলনায় এই রকম ঘটনা এটা একটা বিরল। সঠিক প্রয়োজন হলেই সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন জিশান।”
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Jan 13, 2026 6:13 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
রোজ তিন-তিন কেজি চালের ভাত...! মুহূর্তে শেষ দু' কেজি চালের বিরিয়ানি, তিন কেজি মাংস, সাগরদিঘির জিশানের পেট জোগাতে হিমশিম দিন-মজুর বাবা








