স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকার মানুষজনের রুটি রুজি নির্ভর করে এই বাজির উপর। এই কাণ্ডের পরে তাদের ব্যবসাতে ক্ষতি হতে পারে। সেই আশঙ্কায় কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না তারা।
ঘটনার পর সিপিআইএম এর পাঠানো একটি প্রতিনিধিদলকে আটকায় তারা। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবারের ঘটনার পর এলাকা থেকে প্রায় ২০ হাজার কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার হয়েছে। মহেশতলা ও বজবজ থানায় এখন বিপুল পরিমাণ বাজি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশি ধড়পাকড় আরও জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর আরও বাজি মজুত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সোমবার সকালের পর একাধিক সংবাদমাধ্যমকেরাস্তায় আটকানো হয়েছে। ক্যামেরা কাড়ার চেষ্টা হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।