আরও পড়ুন: বিকেলের পর অসুস্থ হলে আর চিকিৎসক পাওয়া যায় না! উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাল ফেরানোর দাবি
এই অত্যাধুনিক মেশিন বসানোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ উৎপল দাঁ, এমএসভিপি তন্ময়কান্তি পাঁজা সহ ইএনটি বিভাগের অধ্যাপক ও চিকিৎসকরা। এতদিন এই ধরনের শ্রবণ ক্ষমতা পরীক্ষার কোনও ব্যবস্থা ছিল না ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এর জন্য বাধ্য হয়েই কলকাতার বড় হাসপাতালে পাঠানো হত শিশু ও রোগীদের। তবে ‘বেরা’ মেশিন বসানোর ফলে এখন থেকে অতি সহজেই সদ্যোজাত শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কোনও ব্যক্তিরই শ্রবণ ক্ষমতা পরীক্ষা করা যাবে ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সদ্যোজাত শিশুকে আগে থেকে এই পরীক্ষা করানো জরুরি। কানে শুনতে সমস্যা থাকলে তখন থেকে চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন চিকিৎসকরা।
advertisement
এই নিয়ে ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দেবদুলাল চক্রবর্তী জানান, এটি একটি উন্নত মেশিন। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে শ্রবণ সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করা জরুরি। আগে ককলিয়ার ইমপ্লান্টশনের জন্য কলকাতার পিজি হাসপাতালে পাঠাতে হত। তবে এবার সেই সমস্যার সমাধান হবে। এখন থেকে এখানেই চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী সময়ে এখানে ককলিয়ার ইমপ্লান্টশন হবে। এখানে বেড আছে ৩০ টি ও চিকিৎসক আছেন ৯ জন।
এই নিয়ে ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ উৎপল দাঁ জানান, বেরা একটি টেস্ট, যার মাধ্যমে শিশুদের শ্রবন সমস্যা, অন্তকর্ণের সমস্যা, জন্মগত ত্রুটির সমস্যা চিহ্নিত করা যায়। বড়দের ক্ষেত্রেও অডিওমেট্রি টেস্টের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করা যাবে। এই পরিষেবা বিনামূল্যে দেওয়া হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে তাদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া যায়।
নবাব মল্লিক





