ধানের চারা রোপণ করতে যাওয়া কৃষকরা জমি থেকে উঠে আসতে বাধ্য হয়। ধানের চারা পড়ে থাকে মাঠে। মাঠের ধারে থাকা কৃষিজমি ও পুকুর মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তবে এসবের পরও বৃষ্টি হওয়ায় একটু স্বস্তি পেয়েছেন চাষীরা। স্বস্তি পেয়েছে কৃষি দফতর।
আরও পড়ুনঃ ১৩ দফা দাবিতে বিএমওএইচের দফতরে আশাকর্মীরা
advertisement
স্থানীয় কৌস্তব আহম্মেদ বা রাকেশরা বলেন, পুরো জুলাই মাসটা খরা ছিল, বৃষ্টি হওয়ায় সত্যি খুব উপকার হল। চাষবাসের যেমন সুবিধা হল তেমনই সাধারণ মানুষেরও একটু স্বস্তি মিলল। প্রচন্ড গরমে হাসফাঁস করছেন সকলেই।
আরও পড়ুনঃ এবার কার্জন গেটে মহারাজা বিজয় চাঁদ মাহতাব ও তাঁর স্ত্রীর মূর্তি
তাই এভাবে একদিন না, টানা বেশ কয়েকদিন যদি বৃষ্টি হয় তাহলে খুব ভালো হয়। এখনও যা সময় বাকি রয়েছে বর্ষার তাতে কয়েকটা এরকম ভারি বৃষ্টি হলে চাষের ক্ষতি কিছুটা হলেও মেটানো সম্ভব বলে মনে করছেন জেলার কৃষিজীবীরা।
Malobika Biswas





