সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২৫০ টাকা মজুরি ৩০০ টাকা করার আশ্বাস দেন। এ নিয়েই বিজেপির সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ৩৫০ করার ভাঁওতা দেন নিরীহ শ্রমিকদের। আন্দোলনে ছিলেন সাংসদ প্রকাশচিক বরাইক, দার্জিলিং জেলা সমতলের আইএনটিটিইউসির সভাপতি নির্জল দে, জেলাসভানেত্রী প্রকাশচিক বরাইক প্রমুখ।
advertisement
পিএফ দফতরের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, এই দফতর কার্যত বিজেপির নেতাদের কথায় চলছে। কেন্দ্র সরকারের অধীনস্থ একাধিক চা বাগানে শ্রমিকদের মজুরি থেকে পিএফের টাকা কেটে নেওয়া হলেও সেই টাকা জমা পড়ছে না বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে চা শ্রমিকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়ছেন। তিনি আরও বলেন, যে সমস্ত চা বাগান বা কোম্পানি শ্রমিকদের পিএফের টাকা জমা দিচ্ছে না, তাদের একটি তালিকা পিএফ অফিসের কাছে রয়েছে। কিন্তু সেই তালিকা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না। তালিকা প্রকাশ করা হলে রাজ্য পুলিশের মাধ্যমে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা সম্ভব।
তৃণমূলের দাবি, পিএফ অফিসের এই নীরবতাই প্রমাণ করে, কার স্বার্থে তারা কাজ করছে। পিএফ নিয়ে চা শ্রমিকদের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। চা শ্রমিকদের পিএফ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনার দাবিতে জলপাইগুড়ি রিজিওনাল পিএএফ অফিস অভিযান আইএনটিটি ইউসির। ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অভিযানে সামিল তরাই ডুয়ার্সের কয়েক হাজার চা শ্রমিক। এবার চা-বাগানের পিএফ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য অবিলম্বে প্রকাশ করার দাবিতে, জলপাইগুড়ি রিজিওনাল পিএফ অফিস ঘেরাও করে আইএনটিটিইউসি।
শাসকদলের এই অবস্থানকে কটাক্ষ করছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ চা বাগানের শ্রমিকদের প্রাপ্য সুবিধা রাজ্যই দিচ্ছে না। বাগানের জমিতে রিসর্ট গড়া হচ্ছে।
