জঞ্জাল বিভাগের মেয়র পারিষদ মানিক দে ও অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে মহানন্দা নদী সাফাইয়ের কাজে নেমে পড়েন। এই প্রসঙ্গে মানিক দে জানান, ছট পুজোতে পুরনিগমের প্রায় ৮০% সাফাইকর্মী ব্যস্ত থাকেন। তাই এই পরিষ্কারের কাজে অনেকটা বাধার সৃষ্টি হচ্ছে বটে। কিন্তু এই বাধাকে কাটিয়ে ওর্য়াড পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি মহানন্দা নদীকে সুস্থ রাখতে তারা তৈরি। তিনি বলেন, ‘বেশিরভাগ পুরকর্মীরা ছট পুজোয় অংশগ্রহণ করে থাকেন। তাই সবাইকে এই পরিষ্কারের কাজে পাওয়া যায় না। তবে নদী পরিষ্কার রাখতে সমস্ত রকম ব্যবস্থাই আমরা নিয়ে থাকি।’
advertisement
আরও পড়ুন: খামখেয়ালি আবহাওয়ায় গলা ব্যথা, কাশিতে ভুগছেন? এই সব ঘরোয়া টোটকায় মিলবে স্বস্তি
আরও পড়ুন: সদ্য স্থান পেয়েছে পর্যটন মানচিত্রে, রিশপের খুব কাছে এই অভূতপূর্ব ছোট্ট গ্রাম, বড়দিনে ঘুরে আসুন
পুজো উদযাপনের পর পুরসভার জঞ্জাল সাফাই বিভাগের কর্মীদের নিয়ে টিম তৈরি করে সাফাই অভিযানে নেমে গিয়েছে। পুজোকে ঘিরে যাতে নদী ঘাট বা জলাশয় দূষণ না হয় তার জন্য পুরনিগম সবসময় প্রস্তুত বলে জানান পুরকর্তারা। তাদের কথায়, ভক্তবৃন্দদেরও এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। এর পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের সচেতন হতে হবে, যাতে তারা পুজোর পর নোংরা জলে না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলেন। ‘দুর্গাপুজোর সময় আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘাট পরিষ্কার করে দিয়েছিলাম, ছট পুজোতেও সেই ভাবেই আমরা এগোচ্ছি।’
অনির্বাণ রায়





