স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, স্কুল থেকে বেরিয়ে মা-ছেলে স্কুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হঠাৎ পিছন দিক থেকে আসা একটি বাইক সজোরে ধাক্কা মারে স্কুটিতে। ধাক্কায় রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে যায় শিশুটি। ঠিক সেই মুহূর্তেই পিছন থেকে আসা একটি ট্রাক শিশুটিকে পিষে দেয়। স্থানীয়রা জানান, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একরত্তির।
আরও পড়ুনঃ শশা বাগানে জল দিতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি! মটর প্রাণ কাড়ল তরুণের, ছেলের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে হাহাকার
advertisement
দুর্ঘটনার পর মুহূর্তে এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা, বানেশ্বর মোড় ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ ও ভক্তিনগর থানার আধিকারিকরা। ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে দ্রুত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, “ইস্টার্ন বাইপাসে লরি-ট্রাকের দ্রুতগতি ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাবেই রোজ ঘটছে দুর্ঘটনা। যার খেসারত দিতে হল এক নিরপরাধ শিশুকে।”
এই দুর্ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলল – শিলিগুড়ির ইস্টার্ন বাইপাস কি তবে সত্যিই ‘অভিশপ্ত দুর্ঘটনার করিডর’? বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে প্রয়োজন কঠোর ট্রাফিক নজরদারি, স্পিড ব্রেকার এবং স্কুল টাইমে ভারী যানবাহন নিয়ন্ত্রণ।
মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফেরার কথা ছিল শিশুটির। কিন্তু বাইপাসের উপর বেপরোয়া গতির জেরে নিভে গেল শিশুর জীবনের আলো।






