বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা সারা বছর পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান যেমন রাখে তেমনই সায়েন্স এক্সিবিশনে ও অসামান্য দক্ষতার পরিচয় জন্য তাদেরকে পুরস্কার হাতে তুলে দেওয়া হয়। শুধু স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার নয়, এদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পুরস্কার দেওয়া হয় অভিভাবকদেরও। এছাড়াও বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষকরা এদিন ভাষণ দেন, শেষে বাই বাই এভরিবডি গানের তালে সমবেত নাচ যা ছিল চোখে পড়ার মত। সমস্ত ছাত্র ছাত্রীরা চোখের জলে বিদ্যালয়কে বিদায় জানায়।
advertisement
আরও পড়ুন: মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে? কী করলে হারানো মোবাইল পাওয়া সম্ভব জানেন?
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও তাদের জন্য এদিন মিড ডে মিলে মাংস ভাতের ব্যবস্থা করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক গৌরাঙ্গ চৌহান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চশিক্ষা লাভের পর যেভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয় আমরাও সেভাবেই বাচ্চাদের জন্য সমাবর্তন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছি।” একদিকে সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো নিয়ে যখন প্রায়শই বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ শোনা যায়। ঘরভাঙ্গা, শিক্ষক নিয়ে কিংবা পড়ুয়াদের অভাব ইত্যাদি। তবে এরই মধ্যে জেলায় অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে রায়গঞ্জ গার্লস প্রাথমিক বিদ্যালয়। ৯১ বছরে পা দেওয়া এই বিদ্যালয় জেলার অন্যতম সেরা। এখানে রয়েছে ৬৫৪ জন পড়ুয়া ও ১৯ জন শিক্ষক।
পিয়া গুপ্তা




