বাদুড় বাগান এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা অতনু বণিক বলেন, “স্থানীয় কিছু প্রবীণ মানুষের কাছে এখনও এই বাগানটি কবিরাজ বাগান নামে পরিচিত। তবে বেশিরভাগ কোচবিহারবাসী এই বাগানটিকে বাদুর বাগান নামে চেনে। এর মূল কারণ হল এই বাগানে কিছু বিরল প্রজাতির বাদুড় রয়েছে। যেগুলি মূলত ইন্ডিয়ান ফ্লাইং ফক্স বা ফ্রুট ব্যাট। এছাড়াও এখানে গোল্ডেন জ্যাকেল এবং বেঙ্গল মনিটর লিজার্ড দেখতে পাওয়া যায়। তাই এই বাগানের সমস্ত ভেষজ ঔষধি গুণাবলী সম্পন্ন গাছ ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দাবী জানাচ্ছেন।”
advertisement
আরও পড়ুন: বেগুন খেলে ঘুম আসবে ভাল! হৃদরোগ, ক্যানসারের মতো রোগ দূর হবে! ভাজা নয়, খেতে হবে এই নিয়মে
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলার এক বয়স্ক নাগরিক সমর সাহা জানান, “এই কবিরাজ বাগান স্থাপন করার সময় বিভিন্ন জায়গা ভেষজ গুণাবলী সম্পন্ন গাছ এনে লাগানো হয়েছিল। এছাড়াও বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল বিভিন্ন ভেষজ গুণাবলী সম্পন্ন ঔষধি গাছ। তবে বর্তমান সময়ে এখানে সেই গাছগুলির অধিকাংশই নেই এবং বাগানটিতে কিছু দুর্লভ প্রজাতির বাদুর বসতি স্থাপন করেছে। আর মূলত সে কারণেই এই বাগানটি কোচবিহারবাসীর কাছে বাদুর বাগান নামে পরিচিত।” কোচবিহারের বন্যপ্রাণ প্রেমী অর্ধেন্দু বণিক জানান, “কোচবিহারের মধ্যে একটা সময় শুধুমাত্র এই বাগানেই কিছু বিরল প্রজাতির বাদুর দেখা যেত। এই বাদুরগুলি দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে থাকছে।”
তিনি আরও জানান, “কোচবিহারবাসীর কাছে এই বাগানটি অনেকটা আকর্ষণের। বর্তমানে এই বাগানটির রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। কিছুদিন আগে সংস্কার করা হলেও এই বাগানটি আবারও বেহাল হয়ে পড়েছে। নর্দমার নোংরা জল জমে রয়েছে ভেতরে। তাই এই বাগানের গাছ ও বন্যপ্রাণগুলির সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক জেলা প্রশাসন এটাই এখন কাম্য।” তবে এখন কতদিনে এই সমস্যা সমাধান হয় এটাই এখন দেখার মূল বিষয়।
Sarthak Pandit





