জেলা জুড়ে বেশ কিছু বিদ্যালয় সম্পর্কে বিস্তর অভিযোগ আসে ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের তরফে। সেই বিষয় খতিয়ে দেখতে এদিন অজান্তেই বিদ্যালয় পৌঁছে যান বিধায়ক। তবে এখানে পৌঁছাতেই যেন উল্টো চিত্র দেখা মিলল। ১৯৭২ সালের তৈরি এই স্কুলে শতাধিকের উপর ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। তাদের পঠন-পাঠনের জন্য পাঁচজন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। স্কুলে মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা আছে, স্কুলের নিজস্ব ভবনও রয়েছে। এমনকি শিক্ষাদান যাঁরা করবেন তাঁরা তাদের সর্বস্ব দিক দিয়ে শিশুদের পাঠদানে উৎসাহ জুগিয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুন: অনেক হল পুলিশ, প্রশাসন! এবার বাল্যবিবাহ ঠেকাতে মোক্ষম দাওয়াই! কাজ করবে ‘নতুন বাহিনী’
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু তাই নয়, খেলার ছলে ছলে কীভাবে ছাত্রছাত্রীদের সঠিক শিক্ষাদান করানো সম্ভব তাও তাঁরা করান। এরফলে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্রছাত্রীরা আসে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলা, কম্পিউটার, আর্ট শিখতে। তাদের যথেষ্টই আগ্রহ দেখা মিলছে। এদিন বিধায়ক বিদ্যালয়ে পৌঁছে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার মান বাড়াতে বিভিন্ন উপদেশ দেন। বিধায়কের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবকরাও। তাঁদের মতে, “জনপ্রতিনিধিরা যদি এভাবেই বিদ্যালয়গুলোর পাশে দাঁড়ান, তবে পড়াশোনার মানন্নতি নিশ্চিত।” বিধায়কের এই অভাবনীয় উদ্যোগে খুশি পড়ুয়া থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকা সকলেই। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা তিনি শোনেন ও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
সুস্মিতা গোস্বামী





