২০২৪ সালের আগস্ট মাসে বন্ধ হয় এই মহুয়া চা বাগান। বন্ধ হওয়ার সময় মহুয়া ও তোর্সা চা বাগান একই মালিকের অন্তর্গত ছিলেন। তখন আলাদা বাগান হলেও শ্রমিকরা বলতেন মহুয়া তোর্সা চা বাগানের আউট ডিভিশন। তবে বাগান বন্ধ হওয়ার পর গত জানুয়ারি মাসে তোর্সা বাগান খুলেছে। অন্য এক কোম্পানি নিয়েছে তোর্সা বাগান। বন্ধ ছিল এক সময় রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা এই মহুয়া চা বাগান। তোর্সা বাগানের বর্তমান মালিক মহুয়া চা বাগান নেবেন, শোনা গিয়েছিল এমন কথা।
advertisement
আরও পড়ুন: ডুয়ার্স ঘুরতে গেলে এবার মিস করবেন না, এই জায়গাটিতে গেলেই খুঁজে পাবেন পুরাতন ডুয়ার্সকে
সম্প্রতি শিলিগুড়ি শ্রমিক ভবনে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। মহুয়া চা বাগানে শ্রমিক সংখ্যা ১৫১ জনের মধ্যে স্থায়ী শ্রমিক মাত্র ৭৮ জন। বাকি সব অস্থায়ী বিঘা শ্রমিক। পূর্বে মহুয়া চা বাগান রাজ্য সরকারের ওয়েস্ট বেঙ্গল টি ডেভলপমেণ্ট কর্পোরেশন অধীনস্ত ছিল। পূর্বে পাঁচটি সরকারি চা বাগান ছিল। এর মধ্যে পাহাড়ের রঙ্গেরুন, পেণ্ডাম, রংবুর,সিডার্স ও ডুয়ার্সের জলপাইগুড়ি জেলার হিলা ও আলিপুরদুয়ার জেলার মহুয়া। কিন্তু ২০১৪ সালে এই পাঁচটি চা বাগান বেসরকারি হয়ে যায়। সেসময় এই বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করেছিল মহুয়া চা বাগানের শ্রমিকরা। মহুয়া চা বাগানটি তোর্সা চা বাগানের কোম্পানির হাতে চলে যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাগান খোলার পূর্বে বাগান কর্তৃপক্ষ মহুয়া চা বাগানের শ্রমিকদের ২০২৩-২৪ বর্ষের বকেয়া বোনাস প্রদান করবে ১৬% হারে। এছাড়া বকেয়া বেতন ও প্রদান করবে এই সিদ্ধান্ত হয়। দীর্ঘ আট মাস বাদে বাগান খুলে যাওয়ায় খুশি মহুয়া চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকরা। এক শ্রমিক নেতা বীরেন্দ্র ওঁরাও জানান, “বন্ধের মুখ থেকে খুলছে চা বাগান, এটাই আমাদের সৌভাগ্য। প্রাণ পেল শিল্প। শ্রমিক ও মালিকের কাজে সমন্বয় থাকবে, এই আশা রাখছি।” এই বিষয়ে আলিপুরদুয়ার ডেপুটি শ্রম আধিকারিক গোপাল বিশ্বাস বলেন, “আশা করছি বাগানটি সুষ্ঠুভাবে চলবে। পাশাপাশি, অন্য বন্ধ বাগান খোলারও চেষ্টা করছি আমরা।”
Annanya Dey





