বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের চা বাগানে কাজ করতে গিয়েই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মুখে পড়েন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আচমকাই গৌরিকন সংলগ্ন জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে একদল বন্য শুয়োর। অতর্কিত হামলায় গুরুতর জখম হন রাতিয়া ওরাওঁ-সহ আরও দু’জন। মোহন মাঝি ও বাবলু ওরাওঁ। আহতদের মধ্যে একজনের আঘাত তুলনামূলক কম থাকায় তাকে বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাকি দু’জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধীন সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
advertisement
কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার রাতেই মৃত্যু হয় রাতিয়া ওরাওঁয়ের। শুক্রবার জলপাইগুড়ি হাসপাতালের মর্গে তার দেহের ময়নাতদন্ত হবে বলেই সূত্র মারফত খবর। পরিবারের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে ফুলাতিপাড়া এলাকা। প্রতিদিনের রুজি-রোজগারের তাগিদেই চা বাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন রাতিয়া। সেই কাজই কেড়ে নিল তার প্রাণ। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বনদফতর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সংশ্লিষ্ট রেঞ্জার রাজকুমার পাল জানিয়েছেন, গতকাল থেকে বন দফতরের টিম এলাকায় মোতায়েন রয়েছে এবং বন্য শুয়োরদের খোঁজে অভিযান চলছে। বনদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মৃতের পরিবার ও আহতরা প্রত্যেকে ক্ষতিপূরণ পাবেন। কিন্তু, এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জঙ্গল লাগোয়া চা বাগান এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।






