রাজ্য সরকারের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে গরুমারা অরণ্যের নানা বন্যপ্রাণীর নিদর্শন। স্বাভাবিক মৃত্যু, রেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো কিংবা হঠাৎ মারা যাওয়া হাতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি…সবকিছুই এখানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই নিদর্শনগুলি বন্যপ্রাণের জীবন ও মৃত্যুর বাস্তব গল্প তুলে ধরে দর্শকদের সামনে।
আরও পড়ুন: দিঘা যাওয়ার পথে অভূতপূর্ব ফুল মেলা, রয়েছে ৪০ দেশের জাতীয় ফুল! জানুন কতদিন মিলবে দেখার সুযোগ
advertisement
মিউজিয়ামে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে আর্টিফিশিয়াল উপায়ে সাজানো গোটা গরুমারা জঙ্গলের আদল। বন্যপ্রাণীদের জীবনযাপন, অরণ্যের পরিবেশ, গরুমারা জঙ্গলের ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠার পটভূমি তথ্যচিত্র ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে এটি যেমন দর্শনীয়, তেমনই শিক্ষামূলক। ভাবছেন কোথায়? জলপাইগুড়ির বাতাবাড়ি জঙ্গলের তিলোত্তমা পর্যটন কেন্দ্র সংলগ্ন এই মিউজিয়ামে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। শিশু থেকে শুরু করে বড়রা—সবাই এখান থেকে জঙ্গল ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাচ্ছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডুয়ার্স সফরের পরিকল্পনায় গরুমারা জঙ্গল মিউজিয়ামকে প্রথম সারিতেই রাখা উচিত। কারণ এই মিউজিয়াম না দেখলে ডুয়ার্স ও গরুমারার প্রকৃত ইতিহাস ও বন্যপ্রাণের সংগ্রামকে পুরোপুরি বোঝা যায় না। ডুয়ার্সে এসে এই অভিজ্ঞতা মিস করা মানেই ভ্রমণের একটি বড় অধ্যায় অপূর্ণ থেকে যাওয়া।





