এবিষয়ে বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ী বলেন,”অচল অবস্থা কাটাতে এখনই মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রী জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করেছেন। পরবর্তীতে একাধিক কাজকর্ম হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বালুরঘাটের মাহিনগর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণ হয়েছে। পূর্ত দফতর থেকে ২ কোটি ২৭ লক্ষ টাকার একটি যোজনাও অনুমোদন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে গেলে একটি ন্যূনতম পরিষেবা দেওয়া দরকার। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুই হয়নি। এখনও উপাচার্য কাজে যোগ দিচ্ছে না। ফলসরূপ নানা ধরনের সমস্যা হতে হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী ৭ বছর আগে যে আগ্রহের সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করেছিলেন, ঠিক একই আগ্রহে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিষেবাগুলি চালু করা হোক। কারণ জেলার মানুষের আবেগ জড়িয়ে গেছে ইউনিভার্সিটির সঙ্গে।”
advertisement
আরও পড়ুনঃ Sonajhuri Haat: যেতে হবে না বোলপুর! এবার হাতের কাছেই ‘সোনাঝুড়ির হাট’! রইল ঠিকানা
নতুন উপাচার্য কাজে যোগ না দেওয়ায় বেতন বন্ধ রয়েছে শিক্ষক থেকে অশিক্ষক কর্মচারী সকলের। সামনেই পরীক্ষা, তার আগে আগামী ২৩ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্ম ফিলআপ শুরু হতে চলেছে। আর্থিক অভাবে সঠিক সময়ে রিনিউয়াল না করায় এবার বন্ধ হল ইন্টারনেট ও টেলিফোন পরিষেবা। ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় এবারে চিন্তায় পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সবমিলিয়ে অভিভাবকহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি সবদিক থেকেই জটিল হতে শুরু করেছে। অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট অফিসারের কার্যকালের মেয়াদ রয়েছে আর মাত্র দু মাস এর মধ্যে যদি নতুন ভিসি জয়েন না করেন তাহলে ইউনিভার্সিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে পড়বে এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন শিক্ষকরা। এমন সঙ্কটজনক পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সুস্মিতা গোস্বামী





