ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার অনেকটা অংশ জেলা কোচবিহারের মধ্যে রয়েছে এবং এই এলাকাগুলির বেশিরভাগ এলাকায় নদী থাকার কারণে নেই পর্যাপ্ত কাঁটা তারের বেড়া। ফলে সেই সমস্ত উন্মুক্ত এলাকা গুলির মধ্যে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে।
আরও পড়ুন: কোন দেশের সঙ্গে ভারতের বর্ডার সবথেকে বড় জানেন? পাকিস্তান, চিন নয় কিন্তু! নামটা শুনলেই চমকে উঠবেন
advertisement
সীমান্ত রক্ষী বাহিনী সূত্রে জানতে পারা গিয়েছে, লাল সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়নি এখনও পর্যন্ত। জারি করা হয়েছে ‘অপারেশন অ্যালার্ট’। এর ফলে সীমান্ত এলাকা গুলিতে নজরদারি আরও অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সীমান্ত এলাকায় রক্ষীদের সংখ্যা, যা প্রায় দ্বিগুণের বেশি। ভারত-বাংলাদেশের নদী এলাকা গুলির খোলা সীমান্ত এলাকায় স্পিড বোটের মাধ্যমে চলছে নজরদারি। এছাড়াও ড্রোন ক্যামেরা ও নাইট ভিশন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। উম্মুক্ত সীমান্ত এলাকা গুলিতে সাধারণ মানুষের ১০০০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র মারফত জানতে পারা গিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ আনাগোনা চলছে আগের নিয়মেই। বাংলাদেশের মানুষেরা আসছেন এদেশে ব্যবসা ও চিকিৎসার জন্য। এছাড়া বাংলাদেশে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকেরা ফিরে আসছেন দেশে। এছাড়া বাংলাদেশ থাকে পণ্য বোঝাই ট্রাক আসছে ভারতে এবং ভারতের পণ্য বোঝাই ট্রাক যেতে শুরু করেছে বাংলাদেশে। পণ্য পরিবহণ থেকে শুরু করে মানুষের আনাগোনার গোটা পরিস্থিতির ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে আরও বেশি করে।
—- Sarthak Pandit






