নাম বললেই চেনে প্রায় প্রত্যেকেই ‘বিশ্বনাথের কচুরি’। জলপাইগুড়ি শহর তো বটেই, ময়নাগুড়ি, রাজগঞ্জ, ধূপগুড়ি এমনকি শিলিগুড়ি থেকেও মানুষ ছুটে আসেন এই দোকানের কচুরির স্বাদ নিতে।ট্রেন বা বাসে নেমে কাউকে ‘বিশ্বনাথের কচুরির দোকান কোথায়?’ জিজ্ঞেস করলেই পথ দেখাতে এক মুহূর্তও দেরি হয় না। এতটাই জনপ্রিয়তা এই দোকান।
advertisement
সকাল ঠিক ৭টায় দোকান খোলে, আর রাত ১০টা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। ১৯৬৯ সাল থেকে প্রায় ছয় দশক ধরে একই স্বাদ, একই নিষ্ঠায় চলছে এই দোকান। কচুরির পাশাপাশি এখানকার শিঙাড়াও সমান জনপ্রিয়। একদিকে কড়াইয়ে টগবগ করে ভাজা হচ্ছে কচুরি, আর অন্যদিকে কড়াই থেকে নামতেই নিমেষে শেষ। দিনভর লাইন। কেউ অফিসে যাওয়ার আগে, কেউ স্কুল-কলেজের পথে, কেউ আবার দূর থেকে শুধু স্বাদের টানে আসছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই দোকান শুধু খাবারের জায়গা নয়, এটি জলপাইগুড়ির স্মৃতি ও আবেগের অংশ। অনেকের শৈশবের স্বাদ, অনেকের পারিবারিক আড্ডার ঠিকানা। এখন সময় বদলেছে, শহর বদলেছে, কিন্তু বদলায়নি বিশ্বনাথের কচুরির স্বাদ আর মানুষের ভালবাসা। জলপাইগুড়িতে এলে বিশ্বনাথের কচুরি না খেলে সফর যে অসম্পূর্ণ এ কথা আজ আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।





