West Medinipur News: একঘেয়ে মিড ডে মিল থেকে ছুটি, মেদিনীপুরের স্কুলে স্কুলে ফুড ফেস্টিভ্যালের বিরাট আয়োজন! শালপাতায় মোড়া জঙ্গলমহলের স্বাদ

Last Updated:
West Medinipur News: অল্প বয়স থেকে পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যবসায়িক চিন্তাধারা বিকাশের লক্ষ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের স্কুলে স্কুলে ফুড ফেস্টিভ্যালের আয়োজন। বাড়ি থেকে বানিয়ে আনা খাবার বিক্রি করল পড়ুয়ারা। কিনে খেলেন শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবকরা।
1/7
স্কুলে এদিন মিড ডে মিল নয়, বিদ্যালয়ে পাওয়া গেল জঙ্গলমহলের বিভিন্ন ধরনের খাবার। বিভিন্ন ধরনের পিঠা থেকে শুরু করে মুখরোচক খাবার বিক্রি করল ক্ষুদে পড়ুয়ারা। কিনে খেল অন্যরা। পড়াশোনা নয়, বরং এক আনন্দ অনুষ্ঠানে মাতল ছোট ছোট পড়ুয়ারা। জঙ্গলমহলের একাধিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল ফুড ফেস্টিভ্যাল। (ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
স্কুলে এদিন মিড ডে মিল নয়, বিদ্যালয়ে পাওয়া গেল জঙ্গলমহলের বিভিন্ন ধরনের খাবার। বিভিন্ন ধরনের পিঠা থেকে শুরু করে মুখরোচক খাবার বিক্রি করল ক্ষুদে পড়ুয়ারা। কিনে খেল অন্যরা। পড়াশোনা নয়, বরং এক আনন্দ অনুষ্ঠানে মাতল ছোট ছোট পড়ুয়ারা। জঙ্গলমহলের একাধিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল ফুড ফেস্টিভ্যাল। (ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
2/7
পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি, দাঁতন এবং নারায়ণগড়ের প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় এই ফুড ফেস্টিভ্যাল। যেখানে পড়ুয়ারা ছিল বিক্রেতা এবং ক্রেতা ছিল শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে অন্যরা। বাড়ি থেকে বানিয়ে আনে জঙ্গলমহলের বিভিন্ন ভ্যারাইটির খাবার বিক্রি করল পড়ুয়ারা। 
পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি, দাঁতন এবং নারায়ণগড়ের প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় এই ফুড ফেস্টিভ্যাল। যেখানে পড়ুয়ারা ছিল বিক্রেতা এবং ক্রেতা ছিল শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে অন্যরা। বাড়ি থেকে বানিয়ে আনে জঙ্গলমহলের বিভিন্ন ভ্যারাইটির খাবার বিক্রি করল পড়ুয়ারা। 
advertisement
3/7
পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় এই ফুড ফেস্টিভ্যাল। যেখানে বাড়ির অভিভাবক অভিভাবিকাদের সহযোগিতায় পড়ুয়ারা আনে জঙ্গলমহলের নানা খাবার। তার মধ্যে ছিল যেমন মালপোয়া, পাটিসাপটা, পোয়া পিঠে, গোলাপ দুধ।
পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় এই ফুড ফেস্টিভ্যাল। যেখানে বাড়ির অভিভাবক অভিভাবিকাদের সহযোগিতায় পড়ুয়ারা আনে জঙ্গলমহলের নানা খাবার। তার মধ্যে ছিল যেমন মালপোয়া, পাটিসাপটা, পোয়া পিঠে, গোলাপ দুধ।
advertisement
4/7
অন্যদিকে দাঁতন বীণাপাণি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এই উৎসবে মেতে উঠেছিল ছাত্রীরা। কনকনে শীতের দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ জুড়ে লোভনীয় খাওয়ারের স্টল নিয়ে বসেছিল তারা। ছিল চিলি চিকেন, স্টিম মোমো, পকোড়া, চাউমিন, ফুচকা, ঘুগনি, লুচি-আলুর দম, আলুর-পরোটা, আলু-কাবলি থেকে শুরু করে দার্জিলিং-চা, চিকেন পকোড়া, ঢোকলা, ব্রেড কাটলেট এবং ঝাল-মুড়ি। হাঁউ মাঁউ খাঁউ, ছানাপোড়া, আহারে বাহারে, চটপটি ফুচকা, পেটুক, পাঁচফোড়ন, খাইখাই প্রভৃতি অন্যরকম নামের খাবারও ছিল।  
অন্যদিকে দাঁতন বীণাপাণি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এই উৎসবে মেতে উঠেছিল ছাত্রীরা। কনকনে শীতের দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ জুড়ে লোভনীয় খাওয়ারের স্টল নিয়ে বসেছিল তারা। ছিল চিলি চিকেন, স্টিম মোমো, পকোড়া, চাউমিন, ফুচকা, ঘুগনি, লুচি-আলুর দম, আলুর-পরোটা, আলু-কাবলি থেকে শুরু করে দার্জিলিং-চা, চিকেন পকোড়া, ঢোকলা, ব্রেড কাটলেট এবং ঝাল-মুড়ি। হাঁউ মাঁউ খাঁউ, ছানাপোড়া, আহারে বাহারে, চটপটি ফুচকা, পেটুক, পাঁচফোড়ন, খাইখাই প্রভৃতি অন্যরকম নামের খাবারও ছিল।  
advertisement
5/7
স্বাস্থ্য বিধি মেনেই ছাত্রীরা দস্তানা, ক্যাপ, মাস্ক পরে স্টল থেকে খাওয়ার বিক্রি করেছে। ছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষিকারাও কিনে খেয়েছেন পছন্দের খাবার। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মণিকা টুডু বলেন,
স্বাস্থ্য বিধি মেনেই ছাত্রীরা দস্তানা, ক্যাপ, মাস্ক পরে স্টল থেকে খাওয়ার বিক্রি করেছে। ছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষিকারাও কিনে খেয়েছেন পছন্দের খাবার। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মণিকা টুডু বলেন, "ছাত্রীদের নিয়ে এমন চারিত্রিক গঠনমূলক অনুষ্ঠান আমাদের সবাইকে উদ্দীপ্ত করছে। তাদের মধ্যে সৃজনশীল মানসিকতা বাড়ান লক্ষ্য।"
advertisement
6/7
একইভাবে নারায়ণগড়ের বাখরাবাদ ভারতী বিদ্যাপীঠেও ছিল খাদ্য উৎসবের আয়োজন। এখানেও একইভাবে উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা বিভিন্ন খাবার বাড়ি থেকে বানিয়ে এনে বিক্রি করে।
একইভাবে নারায়ণগড়ের বাখরাবাদ ভারতী বিদ্যাপীঠেও ছিল খাদ্য উৎসবের আয়োজন। এখানেও একইভাবে উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা বিভিন্ন খাবার বাড়ি থেকে বানিয়ে এনে বিক্রি করে।
advertisement
7/7
পড়ুয়াদের মধ্যে সৃজনশীল মানসিকতা বিকাশ, একে অপরের সঙ্গে সৌজন্যবোধ, অল্প বয়স থেকে ব্যবসায়িক চিন্তাধারা বিকাশের লক্ষ্যে এমন অভিনব আয়োজন বিদ্যালয়ের। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
পড়ুয়াদের মধ্যে সৃজনশীল মানসিকতা বিকাশ, একে অপরের সঙ্গে সৌজন্যবোধ, অল্প বয়স থেকে ব্যবসায়িক চিন্তাধারা বিকাশের লক্ষ্যে এমন অভিনব আয়োজন বিদ্যালয়ের। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
advertisement
advertisement