নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, অপারেশন 'এপিক ফিউরি' (Operation Epic Fury) শুরু হওয়ার পর থেকে পেন্টাগন প্রতিদিন কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। মিজাইল ডিফেন্স থেকে শুরু করে এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার মোতায়েন— হিসেবটা মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো। লড়াইয়ের দশম দিনে দাঁড়িয়ে আমেরিকা প্রতিদিন প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ওপর খরচ হচ্ছে। প্রতিটি টমাহক মিসাইল বা ইন্টারসেপ্টরের দাম কয়েক কোটি টাকা। ইরান যখন ড্রোন ও মিসাইল ছুড়ছে, তখন সেগুলো রুখতে আমেরিকা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, তার আর্থিক ভার অসহনীয় হয়ে উঠছে। শুধু সামরিক সরঞ্জাম নয়, লজিস্টিকস এবং সেনা মোতায়েনের খরচ যোগ করলে এই অংকটা মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে ব্যয়বহুল যুদ্ধের তালিকায় নাম লেখাতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই খরচের পরিমাণ বিগত কয়েক দশকের যে কোনও যুদ্ধের রেকর্ড ছাপিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই খরচ কি শুধু সরকারি কোষাগারেই সীমাবদ্ধ? একদমই নয়। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহন কার্যত বন্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে।



