দার্জিলিঙে এই বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের জন্য রয়েছে এক স্কুল, সেখানেই রাখি দি তাদের দিনের পর দিন বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে আসছেন। তাদের মনের ইচ্ছে আর তাদের মনের জোরে হাতের কাজে নতুন নতুন জিনিস বানিয়ে নজর কাড়ছে তারা। কখনও জামার উপর তাদের হাতের কাজ, কখনও উলের তৈরি গোলাপ থেকে শুরু করে নানা ধরনের ফুল, আবার কখনও বিভিন্ন রংবেরঙের চাবির রিং, এছাড়াও ঘর সাজানোর জিনিস থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে সকলের মনে সাড়া ফেলেছে তারা। দার্জিলিং ঘুরতে এসে তাদের হাতে তৈরি জিনিস একবার হলেও চোখ পড়বে সকলের। রংবেরঙের সমস্ত জিনিস যেন বাজারের, বাকি সব জিনিসের থেকে একটু আলাদা, এ যেন এক নতুনত্বের ছোঁয়া।
advertisement
আরও পড়ুন: দুর্যোগেও চিন্তা নেই! পর্যটক থেকে বাসিন্দা, পাহাড়ে বিপদে পড়লেই হাজির হবে রক্ষাকর্তা
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই প্রসঙ্গে তাদের প্রশিক্ষক রাখি রাই বলেন, “২০১৯ সালে দার্জিলিংয়ে বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য এই অ্যাসোসিয়েশনটি তৈরি হয়, প্রথম থেকেই তারা হস্তশিল্পের উপর কাজ করে আসছেন এবং দার্জিলিংয়ের প্রত্যেকটি উৎসবে প্রত্যেকটি ফেস্টে তাদের স্টল সাড়া ফেলে সকলের মনে। বিশেষভাবে সক্ষম হয়েও তারা পিছিয়ে থাকেনি, আর পাঁচটা মানুষের মতো নিজের মনকে শক্ত করে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে এবং নিজেদের হাতের কাজে সাড়া ফেলেছে সকলের মনে। জীবনে কোন কিছুই অসম্ভব নয়, শুধু মনের ইচ্ছা থাকাটা প্রয়োজ্ সেই কথা আবারও প্রমাণ করে দিল দার্জিলিংয়ের ডেফ অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে থাকা বিশেষভাবে সক্ষম যুবক-যুবতীরা।”
সুজয় ঘোষ





