পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, মোবাইল ফোন দিতে না চাইলে তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্থা এবং যৌন হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই ছাত্রী একা সেই সময় সে কাঁদতে কাঁদতে তাঁর গৃহ শিক্ষকের কাছে গিয়ে পৌঁছলে তাঁর সহপাঠীরা এরপর বেরিয়ে আসে এবং অভিযুক্ত ওই দুষ্কৃতীর খোঁজ শুরু হয়। এরপর পালিয়ে গিয়ে সেখানকার স্থানীয় একটি স্কুলে লুকিয়ে ছিল বাপ্পা। সহপাঠীরা একত্রিত হয়ে শেষ পর্যন্ত বাপ্পাকে খুঁজে বার করে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে প্রাথমিকভাবে সে অস্বীকার করলেও পরবর্তীকালে সে স্বীকার করে মেয়েটির গায়ে হাত দিয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ কী এই কৌশিকী অমাবস্যা? কেন এই পবিত্র দিনের এত গুরুত্ব? মাহাত্ম্য জানলে শিহরণ জাগবে
তবে এটাই প্রথমবার নয়, আগেও ওই ছাত্রীর সঙ্গে এমন অভব্যতা ওই অভিযুক্ত করেছে বলে সুত্রের খবর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় স্থানীয় কাউন্সিলর তথা বালুরঘাট পুরসভার এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ। পুলিশে খবর দেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বালুরঘাট থানার পুলিশ।
সুস্মিতা গোস্বামী






