বাংলাদেশের ওই ন্যক্কারজনক ঘটনার পরই শিলিগুড়িতে নিজের চেম্বারের বাইরে, ঢোকার মুখে একটি জাতীয় পতাকা লাগিয়ে রেখেছেন তিনি। সেইসঙ্গে, ছাপানো অক্ষরে বাংলায় লেখা রয়েছে একটি বার্তা। তাতে বলা হয়েছে, ডাক্তারের কাছ থেকে পরিষেবা পেতে হলে আগে তিরঙ্গাকে প্রণাম করতে হবে। তবেই এই চেম্বারের ভিতর ঢোকা যাবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ”সরকারি হাসপাতালে আমি কাজ করি, সেখানে আমি কোনও রোগীকে পরিষেবা দিতে অস্বীকার করতে পারব না। তাই নিজস্ব চেম্বারে আমার এই নির্দেশিকা জারি করি।”
advertisement
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি! চিন্ময় কৃষ্ণের ঘটনার পর এবার যা করল মায়াপুর ইসকন, শুনে চমকে যাবেন!
ইতিমধ্যে তার চেম্বারে আসা রোগী থেকে শুরু করে কমপাউন্ডার সহ মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভ সকলেই জাতীয় পতাকায় প্রণাম করে ঢুকছেন। তিনি নিজেও প্রতিদিন পতাকায় প্রণাম করে চেম্বার শুরু করেন। ওপার বাংলায় যে ভাবে ভারতের পতাকার অপমান হয়েছে. তা তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেনি। তার বক্তব্য, ”সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলে নানান রকম পোস্ট করছেন, কিন্তু কেউ এটা নিয়ে পোস্ট করছেন না। দেশকে ভালোবাসি-মুখে বললেই হবে না। তার জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।” তার জন্য তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন।
বাংলাদেশের ঘটনায় তিনি তিতিবিরক্ত। কিন্তু চিকিৎসক বলে সকলকেই তিনি পরিষেবা দিতে বদ্ধপরিকর। তাই তিনি সেবা করবেন কিন্তু তার আগে অবশ্যই ভারতের পতাকাকে সম্মান জানাতে হবে। পতাকা প্রণাম করতে হবে তাঁর সামনেই। শেখরবাবু বলেন, “আমি আমার দেশকে ভালোবাসি। তাই আমার দেশের অপমান আমি মুখ বুঝে সহ্য করতে পারব না। আমার কাছে প্রচুর বাংলাদেশের রোগী আসেন। তারা যদি আমার সামনে পতাকাকে সম্মান জানিয়ে প্রণাম করেন, তাহলেই আমি তাদের দেখব। না হলে আমি কাউকে কোনও পরিষেবা দেব না। চেম্বারে আসা প্রতিটি রোগীকেই এই কাজ করতে হবে। একই ভাবে আমরাও প্রতিদিন পতাকাকে প্রণাম করব।”
অনির্বাণ রায়





