সূত্রের খবর, বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নানা জায়গায় রয়েছে জঙ্গল ও আগাছা। সেখানে লুকিয়ে থাকতে পারে দুষ্কৃতীরা। নার্সিং হস্টেলে দুষ্কৃতী ঢুকে পড়ার ঘটনার পর এবার ছাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এগিয়ে এল বালুরঘাট শহরের বাসফোর ও হরিজন সমাজ। হাসপাতাল চত্বরের জঙ্গল ও আগাছা সাফাই করলেন সংগঠনের সদস্য সহ বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র। এই পরিচ্ছন্নতা চলবে বেশ কিছুদিন ধরে। তাদের এই কর্মসূচিতে সংগঠনের প্রায় সমস্ত সদস্যরাই উপস্থিত ছিলেন। বালুরঘাট পুরসভা নিয়োজিত সাফাই কর্মীদের একটা বড় অংশই এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। যার ফলে এই সাফাই অভিযানে পুরসভার চেয়ারম্যান আমন্ত্রিত ছিলেন এবং তিনি নিজে উপস্থিত থেকে এই কাজ পরিচালনা করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: রঞ্জি ট্রফিতে বাংলাকে গর্বিত করলেন তিনিই! বিরাট সাফল্য, খুশির জোয়ারে ভাসছে জেলা
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এবিষয়ে নর্থ বেঙ্গল হরিজন অ্যান্ড বাসফোর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি বিজয় বাসফোর বলেন, “শহর, হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের। কিছুদিন আগেই নার্সিং হস্টেলে দুজন দুষ্কৃতি ঢুকে পড়ে। তাঁরা জঙ্গল দিয়েই পালিয়ে গিয়েছিল। বর্ষায় চারিদিকে জঙ্গলে ভরে উঠবে। তাই জঙ্গল পরিষ্কার রাখলে দুষ্কৃতিরা আর সুযোগ পাবে না।”
হাসপাতাল চত্বরে রয়েছে পুরনো তিনতলা ভবন, বহিঃর্বিভাগ, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, নানা আবাসন, সুপার অফিস সহ নানা ভবন। এই ভবনগুলির অনেক জায়গায় জঞ্জাল ভরে গিয়েছে। নার্সিং হস্টেলে দুষ্কৃতী ঢুকে পড়ার পর ওই জঙ্গল দিয়েই তাঁরা পালিয়েছিল। ফলে জঙ্গল থাকায় দুষ্কৃতীদের আনাগোনা বাড়ছে। তাঁরা লুকিয়ে নেশা করে নার্সিং হস্টেলেও ঢুকে পড়ছে। এই জঙ্গল না থাকলে পুলিশ পেট্রোলিংয়ের সুবিধা হবে।
সুস্মিতা গোস্বামী





