মূলত, শিক্ষকদের জন্য নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি, ছাত্রকেন্দ্রিক শিক্ষা, বিষয়বস্তু ভিত্তিক নির্দেশনা, পাঠ পরিকল্পনা এবং নির্দেশমূলক প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে সাধারণত এই পুরস্কারে ভূষিত করে এডুকেশন রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। জানা গেছে, বালুরঘাট কলেজে অধ্যাপনা করার আগে জ্যোতি কুমারী শর্মা তাঁর অধ্যাপনা জীবন শুরু করেন মালবাজার পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে। এরপরেই ধীরে ধীরে একের পর এক কলেজে শিক্ষাদান করেছেন তিনি।
advertisement
আরও পড়ুন: মানুষ চাইলে সব পারে, প্রমাণ দিল ১৭-র মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী পূজা! কী কীর্তি এই মেয়ের জানেন?
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অর্থনীতি বিষয়ের উপর ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ অনেকটাই কম কেননা অন্যান্য বিষয়গুলি নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যেভাবে প্রাধান্য দিয়ে থাকে তেমনভাবে অর্থনীতি বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয় না। সেই কারণেই শিক্ষিকা জ্যোতি কুমারী বালুরঘাট শহর সহ জেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কোথাও বলছেন অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করার জন্য। এমনকি ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ দানের মাঝে মধ্যে অর্থনৈতিক বিষয়ের উপর সেমিনারও করে থাকেন।
এই বিষয়ে অধ্যাপিকা জানান, “পুরষ্কার পাওয়াই আরও ভালভাবে কাজ করার শক্তি জোগাবে। এমনকি অর্থনীতি নিয়ে কোন ছাত্র-ছাত্রী যদি পড়াশোনা করতে চায় সর্বতভাবে সাহায্য করবেন।”
অধ্যাপিকা জ্যোতি কুমারী শর্মা এই দীর্ঘ শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে তাঁর এই উদ্ভাবনী ও ছাত্র কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পুরস্কৃত হন। শিক্ষার ভবিষ্যৎ গঠন এবং পরবর্তী প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করার জন্য তাঁর উৎসর্গ সত্যিই উচ্চ শিক্ষার শ্রেষ্ঠ চেতনাকে মূর্ত করে।
সুস্মিতা গোস্বামী





