সরকারি তথ্য বলছে, বিশাখাপত্তনম, ম্যাঙ্গালোর এবং পাদুরে ভূগর্ভস্থ বিশাল তেলের রিজার্ভ রয়েছে। সেইসব রিজার্ভার পুরোপুরি ভর্তি থাকলে গোটা দেশের সাড়ে ৯ দিনের তেলের চাহিদা মেটানো যেতে পারে। তবে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী সুরেশ গোপী রাজ্যসভায় এক লিখিত জবাবে জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে এই ভাণ্ডারগুলোর যা ধারণক্ষমতা, তার মাত্র ৬৪ শতাংশ তেল মজুত আছে।
advertisement
হিসেব বলছে, ৩.৩৭২ মিলিয়ন টন তেল এখন সরকারের হাতে রয়েছে। সারা দেশে তেলের ব্যবহারের নিরিখে তা মাত্র ৬ দিনের জন্য যথেষ্ট। এদিকে, ইন্ডিয়া টুডে-র আরটিআই (RTI) রিপোর্ট এই তথ্যের সত্যতায় সিলমোহর দিয়েছে। বলা হয়েছে, ভারতের প্রকৃত সুরক্ষা কবচ এখন আগের থেকে অনেকটাই দুর্বল।
আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সংঘাত। লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা—সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের জ্বালানি সমস্যা বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
আরও পড়ুন- বিহারে ট্রেনের লাইনে পিক ফেলতে গিয়েছিলেন ব্যক্তি, মুহূর্তে ছুটে এল হাওড়াগামী বন্দে ভারত! তারপর…
ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর এক রিপোর্ট দাবি করছে, ভারতের আপতকালীন তেলের ভাণ্ডারে বর্তমানে যা তেল মজুত আছে, তা দিয়ে বড়জোর ৬ দিন আর গড়াতে পারে দেশের চাকা। এর পর কী হবে তা হলে! তা নিয়ে এখনও সরকারের তরফে কিছু বলা হয়নি।
