এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং গুজবের কারণে মজুত রাখার প্রবণতা বাড়ছে। সেটাই রোধ করার জন্য কোলহাপুর জেলা প্রশাসন কঠোর নিয়ম আরোপ করেছে। এই বিধিনিষেধ ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দু’চাকার যানবাহনকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা মূল্যের পেট্রোল-ডিজেল দেওয়া হবে। চার চাকার যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা মূল্যের তেল পাওয়া যাবে। এর পাশাপাশি প্রশাসন ক্যান, বোতল বা ড্রামে পেট্রোল-ডিজেল দেওয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে। জেলা প্রশাসন স্পষ্ট করেছে, এই নিয়ম ভাঙলে পেট্রোল পাম্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
advertisement
প্রশাসন আশঙ্কা করছে, গুজবের কারণে মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করছেন। যার ফলে কৃত্রিম ঘাটতির পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ। জেলা শাসক সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করেছেন, তারা গুজবের ওপর বিশ্বাস করবেন না এবং শুধুমাত্র সাধারণ প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নিন, যাতে সকলের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
কোলহাপুরের পর জালনাতেও পেট্রোল-ডিজেল বিক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জালনা জেলার শাসকও গুজব এবং বাড়তে থাকা ভিড়ের কারণে তেলের বিক্রয়ের সীমা নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, চার চাকার যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা এবং দু’চাকার যানবাহনের জন্য শুধুমাত্র ২০০ টাকার তেল পাওয়া যাবে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। অনেক দেশে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভারত-সহ তেল আমদানির উপর নির্ভরশীল দেশগুলোতে এটি মানসিক চাপ এবং গুজবের আকারে প্রকাশ পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তব ঘাটতি না থাকলেও হরমুজকে কেন্দ্র করে অনিশ্চয়তা প্যানিক বায়িং বাড়িয়েছে।
