১৯৮৭ সালে দামোদরন গ্রামালয় (Gramalaya) নামে একটি বেসরকারি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। আজ ৫৫ বছর বয়সে দামোদরন পাঁচটি দক্ষিণী রাজ্য তামিলনাড়ু, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা জুড়ে প্রায় ১,০০০টিরও বেশি গ্রামে এবং বেশ কয়েকটি শহুরে এলাকায় বসবাসকারীদের জল, স্যানিটেশন এবং হাইজিন উপলব্ধ করার জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করছেন।
দামোদরন এবং তাঁর স্বেচ্ছাসেবকদের দল গত তিন দশকে প্রায় ৬ লক্ষেরও বেশি পরিবারের টয়লেট এবং ৫০০টি স্কুল টয়লেট তৈরি করেছে। ২০০২ সালে তিরুচিরাপল্লী সিটি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অধীনে একটি বস্তি কলমান্ধাইকে ভারতের প্রথম উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ মুক্ত (ODF) বস্তি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। দামোদরনের জীবনে এ এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
advertisement
দামোদরন বর্তমানে ২৪টি কম খরচের টয়লেটের মডেল এবং টয়লেট প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রও তৈরি করেছেন। পানীয় জল ও স্যানিটেশন মন্ত্রক (Ministry of Drinking Water and Sanitation) ২০১৩ সালে দক্ষিণ ভারতে জল এবং স্যানিটেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য গ্রামালয়কে একটি জাতীয় সংস্থান কেন্দ্র হিসাবে অনুমোদিত করেছে৷ দামোদরন একই সঙ্গে কেন্দ্র, রাজ্য সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছেন।
আরও পড়ুন: রাজ্যসভার গেমচেঞ্জার, দেশের জলসমস্যারও! হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের জীবন এক দৃষ্টান্ত!
আরও পড়ুন: 'আন্দোলনের পিছনে উস্কানি'! কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কারা, ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব দিলীপ ঘোষের
কর্মনিষ্ঠ এই মানুষটি ১৯৮০-এর দশকে চালু হওয়া CRSP, ১৯৯০-এর দশকে TSC, ২০০০-এর দশকে NBA এবং ২০১৪-এ চালু হওয়া স্বচ্ছ ভারত মিশন কর্মসূচির মতো স্যানিটেশন কর্মসূচিতেও জড়িত ছিলেন। ২ অক্টোবর, ২০১৭-এ উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু (M Venkaiah Naidu) দামোদরনকে 'টয়লেট টাইটান অ্যাওয়ার্ড' দিয়ে সম্মানিত করেন।
News18 এবং হারপিক ইন্ডিয়ার (Harpic India) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মিশন পানি (Mission Paani), যার উদ্দেশ্য হল নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে ব্যক্তি, সংস্থা এবং সরকারি সংস্থা সহ সকলের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা। সাই দামোদরন সকলের জন্য নিরাপদ স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি বিনিময় করতে এবারের বিশ্ব টয়লেট দিবসের অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথিদের সঙ্গে উপস্থিত থাকছেন।
