১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টস-এর গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে ERO এবং AERO-দের উপর। বিচারপতি জানিয়েছেন, ‘‘যাচাই প্রক্রিয়া হবে নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী। ১৪ ফেব্রুয়ারির আগে জমা পড়া নথিই গ্রহণ করা হবে। যে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে, তা-ও ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তালিকা হিসাবেই ধরা হবে৷’’
advertisement
পাশাপাশি এদিনের শুনানিতে উঠে এল পশ্চিমবঙ্গে আধার জালিয়াতির প্রসঙ্গও৷ আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় জানান, ‘‘ফেক আধার দেওয়া হচ্ছে সীমান্তবর্তী এলাকায়। যখনই বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা চিহ্নিত হন তাঁদের কাছে বাংলা থেকে তৈরি হওয়া আধার পাওয়া যায়। তাই বৈধ আধার জানান।’’
আরও পড়ুন: ‘মমতার অনুরোধকেই’ মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট! SIR শুনানির পরেই বিবৃতিতে জানাল তৃণমূল
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এ প্রসঙ্গে জানান, ‘‘এটা আমাদের প্ল্যাটফর্ম নয়। যদি সত্যিই এরকম হয়, তাহলে সলিসিটর জেনারলকে বলুন রিপ্রেজেন্টেশন অফ পিপলস অ্যাক্ট বদলানোর। আমাদের তো আইন মানতেই হবে।’’
পাশাপাশি, প্রধান বিচারপতির তরফে যে কমিউনিকেশন দেওয়া হয়েছে ২৫০ জন জুডিশিয়াল অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই ভেরিফিকেশন প্রসেসের জন্য। আনুমানিক হিসেব হচ্ছে, প্রতি জুডিশিয়াল অফিসার যদি ২৫০টি করেও কেসের নিষ্পত্তি প্রতিদিন করেন তাহলে ৮০ দিন লেগে যাবে সব সমাধান হতে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আমরা ক্যাচমেন্ট এরিয়ার জুডিশিয়াল অফিসারদেরও যুক্ত করার কথা বলছি।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছে,
জুডিশিয়াল অফিসার যাঁরা নিযুক্ত রয়েছেন, তার বাইরেই সিনিয়র এবং জুনিয়র ডিভিশনের সিভিল জাজেস যাঁদের অন্তত ৩ বছরের অভিজ্ঞতা আছে তাঁদেরও এই কাজে যুক্ত করুক।
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির যদি মনে হয় আরও মানবসম্পদ প্রয়োজন, তাহলে উনি ঝাড়খণ্ড এবং ওডিশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। সেখানকার কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারক যাঁরা এই র্যাঙ্কে রয়েছেন তাঁদের ব্যবহার করা যাবে।
কমিশন এই অফিসারদের যাতায়াত, থাকা এবং ডেইলি অ্যালাওন্সের ব্যবস্থা করবে৷
ওডিশা এবং ঝাড়খণ্ডের প্রধান বিচারপতিরা সংবেদনশীলতার সঙ্গে আবেদন খতিয়ে দেখবেন।
