এই আলোচনায় নওরোজ ও ইদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির আশা প্রকাশ করেন তিনি। ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই উৎসবের সময় যেন গোটা অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়ন বজায় থাকে, সেই আশাই ব্যক্ত করেছেন দুই দেশের নেতৃত্ব।
advertisement
ফোনালাপে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর হামলার তীব্র নিন্দা করেন মোদি। তিনি বলেন, এই ধরনের হামলা শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই বিঘ্নিত করে না, বরং বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থাকেও বিপর্যস্ত করে। তিনি লেখেন, “ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি এবং ইদ ও নওরোজের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আশা করছি, এই উৎসবের সময় পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।”
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ প্রসঙ্গে মোদি আরও বলেন, “এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে। নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং শিপিং লেনগুলি খোলা ও সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি—এই গুরুত্ব আমরা পুনরায় তুলে ধরেছি। ইরানে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইরানের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
বিশেষভাবে তিনি হরমুজ প্রণালীর প্রসঙ্গ তোলেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। সেই কারণে এই প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখা এবং শিপিং লেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
একইসঙ্গে, ইরানে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই ফোনালাপ এমন এক সময়ে হল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের এই কূটনৈতিক যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক মহল।
