• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Dilip Ghosh: 'আন্দোলনের পিছনে উস্কানি'! কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কারা, ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব দিলীপ ঘোষের

Dilip Ghosh: 'আন্দোলনের পিছনে উস্কানি'! কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কারা, ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব দিলীপ ঘোষের

দিলীপের কৃষি-সওয়াল

দিলীপের কৃষি-সওয়াল

Dilip Ghosh: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ কৃষক আন্দোলনের নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের তত্ত্বই খাঁড়া করেছেন।

  • Share this:

    #নদীয়া: কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এরপর সকাল থেকে উৎসবের মেজাজে ঘেরা সিঙ্ঘু-টিকরি বর্ডার ৷ চলছে নিজেদের মধ্যে মিষ্টি-জিলিপি বিতরণ৷ পাশাপাশি চলছে বাজি পোড়ানো৷ প্রকাশ করা হচ্ছে উচ্ছ্বাস (Kisan Andolan| Farmers Protest India) ৷ যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এদিনও নরেন্দ্র মোদির কৃষক-দরদী ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রেই মনোনিবেশ করেছেন। তবে, এরই মধ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) কৃষক আন্দোলনের নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের তত্ত্বই খাঁড়া করেছেন।

    বছর সাতেক আগে নদীয়ার কালীগঞ্জ থানার নওদার হাজরা পাড়ায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিন জনের। তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় আজ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। সেই যজ্ঞ অনুষ্ঠানেই উপস্থিত হয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ''মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কৃষকদের স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছেন। কয়েক বছর ধরে কৃষকের আত্মহত্যা চলছে। কৃষকদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ও তাঁরা যাতে ফসলের ন্যয্যমূল্য পান, তার জন্য আইন দিয়ে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।''

    আরও পড়ুন: জিলিপি-বাজি-নাচ! কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণায় সিঙ্ঘু-টিকরি বর্ডারে উৎসবের মেজাজ...

    দিলীপ ঘোষের সংযোজন, ''কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে কৃষি আইনের বিরোধিতা করা হয়েছে। জোরজবস্তি করে কিছু করতে চাই না, গণতান্ত্রিকভাবে আইন পাস হয়েছিল। কিন্তু সমাজের সকলে যদি সহমত না হন তাহলে সেই আইন কেউ মানে না। সেই কারণে সরকার ঠিক করা হয়েছে, আপাতত আইন স্থগিত থাকবে।'' যদিও কৃষি আইনকে সমর্থনই জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ''যদি ভুল সিদ্ধান্ত হতো সে ক্ষেত্রে সারা দেশজুড়ে এই আইনের বিরোধিতা হতো। কিছু কৃষক যাদের জমি জায়গা নেই তাদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কৃষি আইন না থাকার জন্য যারা কৃষকদের শোষণ করছিলেন, তারা এই আইনের বিরোধিতায় আন্দোলনের পিছনে ছিলেন, তারাই উস্কানি দিয়েছেন। কিন্তু মোদি সরকার কাউকে অসন্তুষ্ট করে কোন কিছু করতে চায় না, সেই কারণে এক বছর ধরে কোন রকম কড়া পদক্ষেপ নেয়নি।''

    আরও পড়ুন: 'আন্দোলন এখনই থামবে না', প্রধানমন্ত্রীর কৃষি আইন প্রত্যাহারে স্পষ্ট বার্তা রাকেশ টিকাইতের...

    বিরোধীরা বলছেন, আগামী বছর পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের কথা ভেবেই কৃষি আইন প্রত্যাহার মোদি সরকারের। যদিও দিলীপ ঘোষ তা মানতে চান নি। তাঁর কথায়, ''সরকার সকলকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সরকার বুঝিয়ে উঠতে পারেনি। সারাদেশে ভোট হচ্ছে, কয়েকটি রাজ্যে ভোট হয়ে গেল, ভোটকে দেখে আইন হয়নি। অতএব ভোটের জন্য আইন প্রত্যাহার নয়। সরকার সকলকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল, ১৪০ বছরের পুরনো আইনকে বদলানোর চেষ্টা করেছিল সরকার, কিন্তু যেহেতু লাগাতার বিরোধিতা চলছে সেই কারণে আইন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ''

    Published by:Suman Biswas
    First published: