গত মঙ্গলবার রাতে এক কয়লা ভেন্ডারের কাছ থেকে ৩০, ০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছিলেন কটকের একটি খনির ডেপুটি ডিরেক্টর দেবব্রত মোহান্তি৷ কিন্তু, কুকাজের মাঝেই ধরা পড়ে যান৷
আরও পড়ুন: দিল্লি পুলিশ বনাম হিমাচল পুলিশ! ৩ কংগ্রেস কর্মীর গ্রেফতারিতে তপ্ত শিমলা, ভাইরাল ভিডিও
ভিজিল্যান্স ডিরেক্টর যশবন্ত জেঠওয়ারের মতে, এই মামলা এখন রাজ্যের ‘ট্র্যাপ’ মামলায় সর্বোচ্চ নগদ বাজেয়াপ্ত করার উদাহরণ।
advertisement
আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, খনি এলাকা থেকে কয়লা উত্তোলনের অনুমতি এবং ট্রান্সপোর্ট পার্মিশনের জন্য এক লাইসেন্সড ভেন্ডরের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেছিলেন দেবব্রত মোহান্তি৷
ওই ব্যক্তির গ্রেফতারির পরপরই তাঁর ভুবনেশ্বরের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়৷ ভুবনেশ্বরের পাটিয়ায় শ্রী বিহারের একটি ফ্লাটে তল্লাশি চালায় ওড়িশার ভিজিলেন্স টিম৷
তল্লাশি অভিযানের সময় আলমারি এবং ট্রলি ব্যাগে ঠাসা অবস্থায় উদ্ধার হয় প্রায় ৪ কোটি টাকা৷ ওই ব্যক্তির অফিসের ড্রয়ার থেকেও দেড় লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে৷
তল্লাশির সময়, আধিকারিকেরা মোহান্তির সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য সম্পদও খুঁজে পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভুবনেশ্বরের পাহালায় একটি দ্বিতল বাড়ি এবং প্রায় ১৩০ গ্রাম সোনা। ভিজিল্যান্স দল এখন নগদ এবং সম্পদের উৎস পরীক্ষা করছে এবং খনির অনুমতি এবং কার্যক্রমে অন্যান্য অনিয়মের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।
