রাজনীতির কারবারিরা মনে রেখেছেন, এর আগে এই হিমন্ত বিশ্বশর্মাই কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈয়ের স্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি এখন নিজের তৈরি করা জালে নিজেই আটকা পড়েছে। অন্যের স্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে এখন নিজের পরিবারের বিষয়ে কেন নীরব?
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পবন খেরা প্রশ্ন তোলেন, ‘অসমের মুখ্যমন্ত্রী কেন সরকারি ঘোষণায় তাঁর স্ত্রীর বিদেশে থাকা সম্পত্তির বিবরণ গোপন করেছিলেন? তাঁরা কি অস্বীকার করছে যে দুবাইতে তাদের কোনো সম্পত্তি নেই? তারা কি অস্বীকার করছে যে আমেরিকায় তাঁদের কোনও কোম্পানি নেই? তাঁরা কি অস্বীকার করছে যে বিশ্বের কোথাও তাদের কোনো ভুয়া কোম্পানি নেই? আমরা প্রতিদিন আরও অনেক প্রমাণ দেব। অনেক কিছু সামনে আসছে। তিনি তাঁর নির্বাচনী হলফনামা থেকে তার স্ত্রীর মালিকানাধীন দুবাইয়ের সম্পত্তিগুলো কেন গোপন করেছেন?’
সম্প্রতি ভারতের নিরাপত্তায় বাংলাদেশের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে এবার মুখ খুলেছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা৷ পড়শি রাজ্যের সীমান্তেই রয়েছে অসম৷ তিনি সতর্ক করেন যে বর্তমান পরিস্থিতি ভারতের জন্য, বিশেষত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য, মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান সম্ভব ‘সার্জারির’ মাধ্যমে৷ শিলিগুড়ি করিডর—যা ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত—কে ভারতের সবচেয়ে বড় কৌশলগত উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলেই মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর৷ তিনি বলেন, এই সরু ভূখণ্ডটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করে এবং এর দু’পাশেই বাংলাদেশ অবস্থিত। তাঁর মতে, একদিন ভারতকে এই অঞ্চল সুরক্ষিত করতে ২০–২২ কিলোমিটার জমি নিতে হতে পারে—তা কূটনীতির মাধ্যমে হোক বা বলপ্রয়োগে। তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের উদাহরণ টেনে বলেন, ওষুধ কাজ না করলে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
