সাধারণত কেরালায় ১ জুনের কাছাকাছি সময়ে বর্ষা ঢোকে। এই বর্ষণের প্রধান কারণ হলো পরপর দুটি পশ্চিমা ঝঞ্ঝা – যা আফগানিস্তান ও ইরানের বাইরে থেকে উৎপন্ন হওয়া অ-মৌসুমি, পূর্বমুখী বৃষ্টিবাহী বায়ুপ্রবাহ। এই বায়ুপ্রবাহ ভূমধ্যসাগর, কৃষ্ণসাগর, কাস্পিয়ান ও আরব সাগর থেকে আর্দ্রতা সংগ্রহ করে এবং উচ্চ-উচ্চতার উপক্রান্তীয় পশ্চিমা জেট স্ট্রিমের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের উপর দিয়ে বাহিত হয়।রাজস্থান, পঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকদের জন্য অসময়ের শিলাবৃষ্টি ও বৃষ্টি বেশ সমস্যা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে গম চাষিরা ফসল কাটার সময় ঘনিয়ে আসায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আইএমডি পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশসহ একাধিক রাজ্যে ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করেছে।
advertisement
রাজস্থান, পঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকদের জন্য অসময়ের শিলাবৃষ্টি ও বৃষ্টি বেশ সমস্যা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে গম চাষিরা ফসল কাটার সময় ঘনিয়ে আসায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আইএমডি পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশসহ একাধিক রাজ্যে ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করেছে।এর ফলে শিলাবৃষ্টি, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া-সহ তীব্র আবহাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর এবং হিমাচল প্রদেশের উঁচু এলাকাগুলোতে নতুন করে তুষারপাতের কারণে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃজেলা সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।মহারাষ্ট্র ও গুজরাতের মতো রাজ্যগুলিতে সাময়িক স্বস্তি এসেছে। পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটকে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
