advertisement
গত ১২ মার্চ সংসদের দুই কক্ষেই এই অপসারণের নোটিস জমা পড়ে। তবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে নোটিসটি গ্রহণ করা হবে কি না, তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। এই ধরনের পদে থাকা কাউকে অপসারণ করতে হলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ৪১ হওয়ায়, তারা অন্যান্য সমমনোভাবাপন্ন দলগুলির সমর্থন চায়। বিরোধী জোটের সহযোগিতায় মোট ১৯৩ জন সাংসদ (লোকসভার ১৩০ এবং রাজ্যসভার ৬০) এই নোটিসে সই করেন। তবুও, কোনও কক্ষেই এটি আলোচনার জন্য গৃহীত হয়নি।
নোটিসে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছিল। তার মধ্যে ছিল তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-এর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য, এবং গত বছর নিয়োগ প্যানেলের বৈঠকে রাহুল গান্ধীর দেওয়া ‘ডিসেন্ট নোট’-এর উল্লেখ। এছাড়া ভোটে কারচুপিতে মদত দেওয়ার অভিযোগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছিল।
এই ইমপিচমেন্ট নোটিস লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান—উভয়ের কাছেই জমা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা গ্রহণ করা হল না।
