সূত্রের খবর, তৃতীয় দফা ক্ষমতায় ফেরার জন্য বৃহত্তর পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির৷ সেই পরিকল্পনারই অংশ এই ঝাড়াই বাছাই প্রক্রিয়া৷
বিজেপির জোর প্রস্তুতি পর্বের মাঝেই সামনে এসেছে ভোট ঘোষণার দিনক্ষণ জানানোর খবর৷ সূত্রের খবর, মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন৷ তারপর তেকেই সে রাজ্যে লাগু হবে আদর্শ আচরণবিধি. ২৫ দিনের সময় পাওয়ার যাবে প্রচারকার্যের জন্য৷ তারপর এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই সম্ভবত শুরু ভোট৷
advertisement
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বেই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে চলেছে বিজেপি৷ মূল বিষয়গুলিকে দুটি বিভাগে ভাগ করে – ম্যাক্রো এবং মাইক্রো প্রচারে নামতে বিজেপি৷ কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের উন্নয়নমূলক উদ্যোগ, মোদি প্রশাসনের অধীনে পরিকাঠামোগত প্রকল্প, হিন্দুত্ব, নারীর ক্ষমতায়ন এবং কংগ্রেস নেতাদের, বিশেষ করে গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরা হবে।
তৃণমূল স্তরে, স্থানীয় এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক সমস্যার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকার গ্রাম, ব্লক এবং জেলা স্তরে প্রায় ১০০টি সমস্যা চিহ্নিত করেছে, যার মধ্যে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, চা বাগানের শ্রমিক এবং সরকারি কর্মচারীদের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলিও রয়েছে। বিজেপি এই সমস্যাগুলি সমাধানে তার রেকর্ডের ভিত্তিতে ভোট চাওয়ার পরিকল্পনা করছে।
নির্বাচনী প্রচারণা আরও জোরদার করার জন্য, দলটি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে ৮ থেকে ১০টি সমাবেশের জন্য সময় চেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
