কালীগঞ্জের মোলান্দির তামান্না খাতুন খুনের ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পুলিশের। গ্রেফতার এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের বুথ সভাপতি গাওয়াল শেখ ও তার আর এক ছেলে বিমল শেখ। গাওয়ালের নির্দেশেই সেদিন বোমাবাজি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন মৃতার মা সাবিনা বিবির।
আরও পড়ুন: বাইরে চুপচাপ বসে ছিল গার্ড…আর গার্ড রুমের ভিতরে..! জানেন কী জানিয়েছেন নির্যাতিতা?
advertisement
গাওয়াল কালীগঞ্জে তৃণমূলের বুথ সভাপতির পদে আছেন। সাবিনা বিবি থানায় যে অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছিলেন, তার ১ নম্বরে ছিল এই গাওয়ালের নাম। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল সে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ছেলে হাবিবুলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। হাবিবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাবা ও ভাইয়ের হদিস পায় পুলিশ।
এরপর গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থেকে গ্রেফতার করা হয় গাওয়াল ও তার আরেক ছেলে বিমলকে। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার অমরনাথ কে বলেছেন, ‘‘গাওয়াল শেখ কালীগঞ্জ বোমাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন ভাবে তল্লাশি অভিযান চলছে। শীঘ্রই সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।’’ আজ তাদের কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে তোলা হবে। এ পর্যন্ত এই এই ঘটনায় মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কালীগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গত ১৯ জুন উপনির্বাচন হয়। সোমবার উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ (Kaliganj By Election Result) ছিল। গণনার শুরু থেকেই ব্যবধান বাড়াতে বাড়াতে এগিয়ে চলেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ। শেষমেশ কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রত্যাশিত ভাবেই বড় জয় পায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷
সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে জয় নিশ্চিত হতেই বিজয়মিছিল বের করে তৃণমূল। অভিযোগ, সেই মিছিল থেকেই বোমা ছোড়া হয়েছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় নাবালিকাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তমান্নার।
