নবদ্বীপ ব্লকের বিএলআরও অফিসারের অভিযোগ, যখন মিউটেশন হিয়ারিং চলছিল, ঠিক সেই সময় অসীম নাথ নামের এক ব্যক্তি ওয়ারিশন সার্টিফিকেট ও ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেন৷ কিন্তু, ভূমি দফতরের আধিকারিক ওই নথি খতিয়ে দেখে দেখে বলেন যে ওই নথিগুলি জাল নথি। বিষয়টি BLRO অফিসার জানতে পেরে নবদ্বীপ থানার পুলিশকে খবর দেন, এরপর এফআইআর দায়ের করেন। বিএলআরও অফিসার আরও বলেন যে, জায়গায় নমিনি নবদ্বীপ মিউনিসিপালিটির হলেও অসীম নাথ জাল ডেথ সার্টিফিকেট বানিয়েছেন কৃষ্ণনগর মিউনিসিপালিটির নাম করে৷ আর জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেট বানিয়েছেন মাজদিয়া পানশিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নামে।
advertisement
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জঘন্য কাজ করে পালাচ্ছিল, ভারতের তৎপরতায় দিল্লিতে ধরা পড়ল তরুণ ‘বিপ্লবী’
এছাড়াও, সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, প্রায় কোটি টাকার সম্পত্তির কাজ ছিল এটি। বিএলআরও নবদ্বীপ নবীন কুমার গৌতম বলেন, ‘‘আমরা এফআইআর দায়ের করছি।’’ যাঁর বিরুদ্ধে জাল নথি দেওয়ার অভিযোগ সেই অসীম নাথ বলেন, ‘‘গোপাল দেবনাথ নামের এক ভদ্রলোক বলেছিল সব কাগজপত্র তৈরি করে দেবে।” এদিন বিকালে বিএলআরও অফিসার অসীম নাথকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
উল্লেখ্য, জমির মিউটেশন করা নিয়ে অনেক সময় অসুবিধায় পড়তে হয় একাধিক সাধারণ মানুষকে। কখনও তাঁরা দালালের খপ্পড়ে পড়েন কিংবা কখনও সঠিক নিয়ম না জানার কারণে বিপদের মুখে পড়তে হয় তাদেরকে।
ভূমি দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই সমস্ত বিষয়ে সমস্ত নথি সম্পূর্ণভাবে সঠিক কি না, তা যাচাই করে তবেই আধিকারিকের কাছে জমা দেওয়া উচিত। নথি নিজের অজান্তেও ভুয়ো প্রমাণিত হলে বিপদের মুখে পড়তে হবে সেই ব্যক্তিকে। সুতরাং, সঠিক যাচাই করে তবেই মিউটেশন করা উচিত বলেই জানাচ্ছেন আধিকারিক।






