হাড়োয়া ব্লক, বারাসত দুই নম্বর ব্লক ও দেগঙ্গা ব্লকে যাওয়ার তিনটি ফেরিঘাট। একদিকে হাড়োয়ার খাড়ুবালা ফেরিঘাট, একদিকে বারাসত ২ ব্লকের তেহাটা ফেরিঘাট এবং অন্যদিকে দেগঙ্গার তেলিয়া ফেরিঘাট। তিনটি ফেরিঘাট দিয়ে যাতায়াত করে স্কুল পড়ুয়া-সহ হাজার হাজার যাত্রী। বিদ্যাধরী নদীতে তিনটি ব্লকের সংযোগকারী ফেরি পরিষেবা বন্ধ কচুরিপানার দাপটে। বিদ্যাধরী নদী মজে গিয়েছে,কচুরিপানার জন্য ভটভটি চলতে পারছে না। প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। বাধ্য হয়ে ফেরি পরিষেবা বন্ধ রেখেছেন মাঝিরা। চরম দুর্ভোগে তিনটি ব্লকের হাজার হাজার যাত্রী।
advertisement
অন্যদিকে, ইছামতি নদীর উপরে কংক্রিটের সেতু, শনিবার নদীর উপরে নতুন সেতুর উদ্বোধন!
স্বরূপনগরের বারঘরিয়ায় সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগে ইছামতি নদীর উপরে ছিল বাঁশের সাঁকো,প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করত দুই পাড়ের মানুষজন। ২০২৪ সালে ১৬ কোটি টাকায় সেতু নির্মাণ শুরু হয়। সেতুর টাকা বরাদ্দ করেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।
স্বরূপনগরের ইছামতি নদীর উপর বারঘরিয়া এলাকা, এখানে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এলাকার মানুষের একটি কংক্রিট সেতুর দাবি ছিল। সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে আগামী ১৪ তারিখ। এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে একটা বাঁশের সাঁকো তৈরি হয়েছিল দীর্ঘদিন আগে । সেই নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে বড় গাড়ি যাতায়াত করতে পারে না । সাইকেল, বাইক, তিন চাকা ভ্যান আর পায়ে হেঁটে ছাড়া এই সাঁকোর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে পারত না দুই পাড়ের লক্ষাদিক মানুষ । এইভাবেই এতদিন শিত গ্রীষ্ম বর্ষা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করত দুই পাড়ের মানুষ । মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ২০২৪ সালে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন, কাজ শুরু হয় । আগামী ১৪ তারিখ ব্রিগেড থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সেতুর উদ্বোধন করবেন ।
