অভিষেক বলেন, ‘আমি সকাল সাড়ে ১১টা থেকে এই এলাকার ছবি পাচ্ছি। এখনও পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ। আপনারা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছেন। আজ রবিবার হওয়া সত্ত্বেও যেভাবে আপনারা আমাদের সভার জন্য এখানে সমবেত হয়েছেন,আমি আপনাদের সামনে মাথা নত করছি এবং আপনাদের সকলকে আমার শ্রদ্ধা জানাই।’
পূর্ব বর্ধমানের মাটি তৃণমূল কংগ্রেসের একটি শক্তিশালী দুর্গ। অভিষেক জানান, ‘নব জোয়ার যাত্রার সময় আমি এই জেলার বিভিন্ন এলাকা সফর করেছি। সে মেমারি হোক, খণ্ডঘোষ হোক বা রায়না। আমার এই জেলার হিজলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কথা মনে পড়ছে, সিপিআই(এম)-এর সেই নিপীড়ন ও অত্যাচারের কথা। সেই একই গুন্ডারা এখন শুধু তাদের জার্সি বদলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে এবং ওরা এখন আবার সেই একই অন্ধকার দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে চায়। এখানে শান্তি ফিরে এসেছে। আমরা ভুলিনি কীভাবে ২০০৯ সালে রায়নার মাধবডিহি গ্রামে সিপিআই(এম)দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস ছড়িয়েছিল। কিন্তু রায়নার মানুষ নির্বাচনে ওদের পরাজিত করে তার জবাব দিয়েছিল এবং এমনকি ওদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।’
advertisement
‘এবার আমরা মন্দিরা দি-কে (দুলুই) প্রার্থী করেছি। তিনি দু’বারের নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য (২০১৩ এবং ২০১৮)। তিনি আমাদের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং তাঁরা যাতে উপকৃত হয় তা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। রায়নার প্রতিটি গ্রামে কংক্রিট রাস্তা থেকে শুরু করে প্রায় ১০০% কৃষক কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন- আমাদের সরকার এই কেন্দ্রের মানুষকে সাহায্য করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃষকদের জন্য অন্যতম বড় উপহার হল কৃষক বন্ধু এবং শস্য বিমা। আমরা ঘোষণা করেছি, খেতমজুররা প্রতি বছর ৪,০০০ টাকা করে দুই দফায় পাবেন।’
তাঁর কথায়, এই বিধানসভা কেন্দ্রে গোটান থেকে কামারহাটি পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। সুকুমার সেনের নামে গোটানে একটি মহাবিদ্যালয়ও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রায়না ১ নম্বর ব্লকে ৩২টিরও বেশি দোকান নিয়ে একটি নতুন কিষাণ মান্ডি তৈরি করা হয়েছে। হামিপুর জুনিয়র হাই স্কুল এবং পলাশন গার্লস হাই স্কুলে মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ আমাদের সরকার করেছে। কৃষক বাজারে একটি কমিউনিটি হল সংস্কার করা হয়েছে।
