ধৃতের নাম তেলু মাজি, বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার দেওয়ানদিঘি থানার মহিনগর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তেলু মাজি নিজেকে প্লেসমেন্ট এজেন্ট পরিচয় দিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের বিভিন্ন বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। সেই ক্ষেত্রে নকল নথি ব্যবহার করা এবং কলেজের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করত।
advertisement
এমনকি অধ্যক্ষ, এমএসভিপি ও এসডিডিপির ভুয়ো স্ট্যাম্প ব্যবহার করে চাকরি নিশ্চিত দেখিয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। দিনকয়েক আগে বিষয়টি নজরে আসে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের। বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে বর্ধমান থানার পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার পরেই এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তাদের নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তেলু মাঝি। অভিযুক্তের সঙ্গে আরও একাধিক ব্যক্তি যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। ধৃতকে বৃহস্পতিবার পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। পুলিশ তদন্ত করে জানতে চাইছে এই ঘটনায় কত জন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করেছে অভিযুক্ত। তবে পুলিশি পদক্ষেপের জেরে প্রতারিতরা আশ্বস্ত হয়েছেন যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
