এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে শ্যামপুর (১), বাগনান (২), রাজাপুর (২), উলুবেড়িয়া (১), উদয়নারায়ণপুর (১), আমতা (১) এবং পাঁচলা (২) এলাকায়।
প্রতিটি ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তথ্য পায়, এগুলি সম্পূর্ণ গুজব ও ভ্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটেছে। আটক হওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই ভবঘুরে, ভিক্ষুক, মানসিকভাবে অসুস্থ অথবা দিনমজুর—যাদের সঙ্গে শিশু অপহরণের কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। এই ধরনের গুজব ছড়ান বা গুজবের বশে কাউকে আটক ও হেনস্থা করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে।
advertisement
হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুজবে কান দেবেন না। কোনও ব্যক্তিকে এই ধরনের কাজে সন্দেহ হলে, আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। সেই দিক থেকে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা দেখলে অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় বা পুলিশকে খবর দিন। গুজব ছড়ানো বা গুজবের ভিত্তিতে কাউকে হেনস্থা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
সেই দিক থেকে পুলিশের বার্তা, আসুন, গুজব নয়—সচেতনতা ছড়াই। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনামূলক পোস্ট করে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে জানানো হয়েছে।






