বিক্ষোভকারী মোমেদা খাতুন বলেন, জলের মধ্যে কেঁচো পাওয়া গেছে। সেই জল যদি আমরা পান করতাম তাহলে প্রত্যেকে অসুস্থ হয়ে যেত।মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের অর্জুনা গ্রামের ঘটনা। গ্রামবাসীরা জলের কল খুলে হঠাৎ দেখতে পায় জলের মধ্যে কেঁচো।ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ। পিএইচইর জলে কীভাবে কেঁচো তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
advertisement
আরও পড়ুন: উঠোনে দিব্যি বড় হচ্ছে এই গাছ! পুলিশ দেখেই গা-ঢাকা! যা ঘটল বর্ধমানে
এলাকাবাসীর অভিযোগ সঠিক ভাবে পরিষ্কার হয় না রিজার্ভার। দীর্ঘদিন ধরে জল দেওয়ার ক্ষেত্রে বেনিয়ম করছে পিএইচই কর্তৃপক্ষ। পিএইচইর জল ব্যবহার করা হচ্ছে চাষের ক্ষেত্রে।মাখনা এবং ধানের জমিতে দেওয়া হচ্ছে জল। কিন্তু তারপরেও চুপ ছিল এলাকাবাসী। এবার জলে কেঁচো পাওয়া যেতেই রীতিমত বিক্ষোভে ফেটে পড়ে তারা।যার জেরে ছড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়েও প্রশ্ন চিহ্ন উঠেছে।এলাকাবাসীর আশঙ্কা এই জল যদি এলাকার সকলে পান করতো তবে ভয়াবহ বিপদ ঘটে যেতে পারত। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লক বিডিও বিজয় গিরি।হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক বিডিও বিজয় গিরি জানান, ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হরষিত সিংহ






