তবে মনের মধ্যে একাধিক ইচ্ছে থাকলেও কাজের চাপে অথবা ব্যক্তিগত কারণে বোলপুর শান্তিনিকেতন আসা হয়ে ওঠেনা। আর মূলত আজকের প্রতিবেদন তাদের জন্য। এক নজরে ঘুরে দিন গোটা বোলপুর শান্তিনিকেতন। এই বোলপুর শান্তিনিকেতনের মধ্যে রয়েছে কবিগুরুর একাধিক দর্শনীয় জায়গা।যেমন বোলপুর স্টেশন থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে রবীন্দ্র ভবন ও রবীন্দ্রস্মৃতিধন্য উদীচী, শ্যামলী, উদয়ন ও কোনার্ক। কাছেই স্টুডিও চিত্রভানু।
advertisement
আরও পড়ুন বিছানায় শুয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী! মাঝরাতে হঠাৎ স্ত্রী উঠে যা দেখলেন! তারপর…
অদূরে রয়েছে মহর্ষির প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ ও আত্মার শান্তির ছাতিমতলা। ১৮৬১ সালে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর বোলপুরের কাছে ২০ বিঘা জমি কিনে যে শান্তিনিকেতনের সূচনা করেন তা রবীন্দ্রনাথের হাতে বিশাল মহীরুহ হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত কয়েক মাস আগে ইউনেস্কো শান্তিনিকেতনের বেশ কিছু জায়গাতে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দিয়েছে। আর এই বোলপুর শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরত্ব অবস্থিত রয়েছে সোনাঝুড়ির হাট।
এই সোনাঝুরি হাট এখন আগত পর্যটকদের কাছে এক অন্যতম ভ্রমণের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই সোনাঝুরি হাটে কয়েক বছর আগে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা নিছক কয়েকটি জিনিসপত্র নিয়ে বসতেন। তবে কালের স্রোতে যত চাহিদা বেড়েছে সোনাঝুড়ির হাটের ততই মেলার আকারে রূপ নিয়েছে এই হাট। একসময় শনিবার বড় আকারে এই সোনাঝুরির হাটের মেলা বসততবে এখন প্রায় প্রত্যেকদিন কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই হাট বসে থাকে।
সৌভিক রায়





