গঙ্গাসাগরে আগত পুণ্যার্থীদের পুজো-পার্বণ ও ধর্মীয় আচার সম্পাদনের সঙ্গে সারবছর যুক্ত থাকেন এই ব্রাহ্মণরা। মূলত তাঁদের উদ্যোগেই এই গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হচ্ছে গঙ্গাসাগরের দু’নম্বর সৈকতের কাছে। সরকারিভাবেও মেলা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই গঙ্গারতি হবে। তবে এখানকার এই গঙ্গারতি সমুদ্র সৈকতে সন্ধ্যাবেলায় ভক্তিমূলক পরিবেশে পালিত হচ্ছে। আরতিতে অংশ নিচ্ছেন গঙ্গাসাগরে আসা বহু পুণ্যার্থী।
advertisement
প্রদীপের আলো, ধূপ-ধুনো ও বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণে গঙ্গার তীর এক অপূর্ব ধর্মীয় আবহে ভরে উঠছে সাগরমেলার আগেই। সাগরে গঙ্গারতি হওয়ার আগে বিভিন্ন জায়গায় এই গঙ্গারতি হয়। এবছর বকখালির গঙ্গারতি নজর কেড়েছে সকলের, বাবুঘাটের গঙ্গারতি তো রয়েইছে। এ নিয়ে দেবসুদ্ধি ব্রাহ্মণ সমিতির পক্ষ থেকে দেব কুমার পন্ডা জানান, গঙ্গাসাগর মেলার সময় প্রতিদিনই এই গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হয়। মেলার আগে সেই গঙ্গা আরতির অনুভূতি সকলের কাছে তুলে ধরতে এই আয়োজন তাদের।
আরও পড়ুন : সেতু থেকে নদীতে কুমির-দর্শন! শীতের সুন্দরবনের জলে জঙ্গলে পর্যটকদের জন্য দুরন্ত হাতছানি
যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা মেলায় দোকান দিচ্ছেন, তাঁরাও সারা দিনের শেষে এই আরতিতে অংশ নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে মেলা শুরুর আগেই ধীরে ধীরে জমজমাট হয়ে উঠেছে সাগরতট। এই মুহূর্তে প্রতিদিন কয়েক হাজার পুণ্যার্থী আসছে সাগরে। তাঁরা অনেকেই থেকে যাচ্ছেন। তাঁরাও এই আরতি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।





